বড়লেখায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী, আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শুরু দুর্গতদের – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেসক্লাব কুলাউড়া’র ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন বড়লেখায় থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২ জাতীয় স্বার্থ ও গবেষণাভিত্তিক কূটনীতিই পররাষ্ট্রনীতির মুল ভিত্তি হতে হবে -জহরত এমপি ফেসবুক পোস্টের জেরে হামলা- বড়লেখায় বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলের ৫ নেতাকর্মী আহত, ১৩ জনের নামে মামলা সৌদি আরবে আগুনে নিহত আত্রাইয়ের বাকি ৫ জনের মরদেহ দেশে আসছে শনিবার  সিলেটে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নিন্দা কুলাউড়ায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান- ‘প্রাইড অব বৃটেন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সিলেটী কন্যা রেহানা আহমেদ ওসমানীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্নয় ক্যাম্পেইন

বড়লেখায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী, আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শুরু দুর্গতদের

  • মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪

Manual1 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

বড়লেখায় ঈদের দিন সোমবার ও পরের দিন মঙ্গলবারের টানা ভারিবর্ষণে আবারও বন্যার অবনতি ঘটেছে। তলিয়ে গেছে হাকালুকি হাওড়পাড়ের তালিমপুর, বর্নি ও সুজানগর ইউনিয়নের সহস্রাধিক বাড়িঘর ও রাস্তা। পৌরশহরের কলেজরোড, জফরপুর রোড় ও হাটবন্দ সড়কসহ কয়েকটি কলোনি তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকেছে অন্তত শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। উপজেলার উজান এলাকায়ও দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। গত দুই দিনের ভারিবর্ষণে নিচু ও উজান এলাকার অন্তত ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। উপজেলার ২২টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের ৯টিতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ১৭০টি দুর্গত পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন এসব দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।

Manual3 Ad Code

বর্নি ইউনিয়নের মিহারী এলাকায় মিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সোনাই নদী তীরবর্তী ইঁসলিং রাস্তা কে বা কারা রাতের আঁধারে কেটে ফেলায় ওই স্থান দিয়ে সোনাই নদীর পানি প্রবেশ করে তিনটি গ্রাম প্লাবিত করেছে। এই তিনটি গ্রামের অন্তত ১০০ পরিবারের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে।

Manual4 Ad Code

জানা গেছে, ভারিবর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে গত এক মাসের মধ্যে চারবার তলিয়ে গেছে বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। কুশিয়ারা ও সোনাই নদীতে পানি নিষ্কাষিত না হওয়ায় হাকালুকি হাওড়ে বাড়তে থাকে পানি। ফলে অবণতি ঘটে বন্যার। হাওড়পাড়ের বর্নি, তালিমপুর, সুজানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পানিবন্দী হয়ে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। তার উপর গত সোমবার ও মঙ্গলবারের টানা ভারিবর্ষণে উপজেলার নিচু ও উজান এলাকায় সমানতালে বন্যা দেখা দেয়। তলিয়ে গেছে বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন অন্তত ৫ হাজার মানুষ।

Manual2 Ad Code

Manual7 Ad Code

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম জানান, উপজেলার ২২টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা ছিল। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত ১৭০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বন্যা দুর্গতদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews