বড়লেখায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী, আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শুরু দুর্গতদের – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান- বড়লেখায় ভারতীয় চোরাই গরু ও দেশিয় মদসহ গ্রেফতার ৪ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে ফলদ ভেষজ ও বনজ বৃক্ষচারা বিতরণ ছাতকের আ’লীগ নেতা হাজী স্বপন ঢাকার রমনা থেকে গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল দুর্ঘটনার আশংকা

বড়লেখায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী, আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শুরু দুর্গতদের

  • মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪

Manual1 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

বড়লেখায় ঈদের দিন সোমবার ও পরের দিন মঙ্গলবারের টানা ভারিবর্ষণে আবারও বন্যার অবনতি ঘটেছে। তলিয়ে গেছে হাকালুকি হাওড়পাড়ের তালিমপুর, বর্নি ও সুজানগর ইউনিয়নের সহস্রাধিক বাড়িঘর ও রাস্তা। পৌরশহরের কলেজরোড, জফরপুর রোড় ও হাটবন্দ সড়কসহ কয়েকটি কলোনি তলিয়ে গেছে। পানি ঢুকেছে অন্তত শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। উপজেলার উজান এলাকায়ও দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। গত দুই দিনের ভারিবর্ষণে নিচু ও উজান এলাকার অন্তত ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। উপজেলার ২২টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের ৯টিতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ১৭০টি দুর্গত পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন এসব দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।

Manual6 Ad Code

বর্নি ইউনিয়নের মিহারী এলাকায় মিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সোনাই নদী তীরবর্তী ইঁসলিং রাস্তা কে বা কারা রাতের আঁধারে কেটে ফেলায় ওই স্থান দিয়ে সোনাই নদীর পানি প্রবেশ করে তিনটি গ্রাম প্লাবিত করেছে। এই তিনটি গ্রামের অন্তত ১০০ পরিবারের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে।

Manual4 Ad Code

Manual7 Ad Code

জানা গেছে, ভারিবর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে গত এক মাসের মধ্যে চারবার তলিয়ে গেছে বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। কুশিয়ারা ও সোনাই নদীতে পানি নিষ্কাষিত না হওয়ায় হাকালুকি হাওড়ে বাড়তে থাকে পানি। ফলে অবণতি ঘটে বন্যার। হাওড়পাড়ের বর্নি, তালিমপুর, সুজানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পানিবন্দী হয়ে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। তার উপর গত সোমবার ও মঙ্গলবারের টানা ভারিবর্ষণে উপজেলার নিচু ও উজান এলাকায় সমানতালে বন্যা দেখা দেয়। তলিয়ে গেছে বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন অন্তত ৫ হাজার মানুষ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম জানান, উপজেলার ২২টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা ছিল। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত ১৭০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বন্যা দুর্গতদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!