বড়লেখার যুবককে দুবাই নিয়ে প্রতারণা, পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লন্ডনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ডরেইজিং: ৫০ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙ্গার ট্রলি উল্টে চালক নিহত ১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বড়লেখার যুবককে দুবাই নিয়ে প্রতারণা, পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা

  • বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

Manual5 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা:

বড়লেখা উপজেলার এক যুবককে ভালো চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে দুবাই নিয়ে প্রতারণা করেছে দুবাই প্রবাসী এক দালাল। প্রতারণার শিকার যুবকের নাম বিমল চন্দ্র দাস। বিমল দুবাইয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামের রসেন্দ্র দাসের ছেলে। তার ভাই নকুল চন্দ্র দাস দুবাই প্রবাসী দালাল ও তার বাবার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তরা হচ্ছে- দুবাই প্রবাসী উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামের বিনোধ বিহারী দাসের ছেলে ক্ষিতিশ দাস ও ক্ষিতিশ দাসের ছেলে যিশু রাম দাস।

Manual3 Ad Code

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইয়াছিন আলী। তিনি বলেন, আদালত মামলাটি তদন্ত করতে থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত বছরের জুলাই মাসে দুবাই প্রবাসী যিশু রাম দাস তার বাবা ক্ষিতিশ দাসের মাধ্যমে বিমল চন্দ্র দাসকে ফাস্টফুট, কেপটেরিয়া ও দোকানের সেলসম্যানের কাজের ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভিসার মূল্য বাবত সাড়ে ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করে যিশু রাম চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিমতো টাকা নিয়ে তাকে (বিমল) দুবাই নেয়। দুবাইয়ে নেওয়ার পর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আরো ২৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু প্রতারক যিশু রাম দাস চাকুরি ও আকামা কোন কিছুই করে দেয়নি বিমল দাসকে। সেখানে (দুবাইয়ে) অসহায় হয়ে বারবার যোগাযোগ করলেও যিশু রাম দাস ও তার বাবা ক্ষিতিশ দাস উল্টো হুমকি-ধমকি দেওয়া শুরু করে।

Manual3 Ad Code

মামলার বাদী নকুল চন্দ্র দাস জানান, যিশু রাম দাস ও ক্ষিতিশ দাস ১২০০/১৩০০ দেহরামের চাকুরি দেওয়ার চুক্তি করে সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে আমার ভাইকে দুবাই পাঠায়। সেখানে নিয়ে কৌশলে আরো ২৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্ত সে আমার ভাইয়ের কোন কিছুই করে দেয়নি। আমার ভাই সেখানে কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে। আকামা করে না দেওয়ায় যে কোন সময় দুবাই সরকার তাকে আউট করে দেশে পাঠিয়ে দিতে পারে।  দালাল যিশু রাম দাস ও তার বাবার প্রতারণায় আমার ভাইকে দুবাই পাঠাতে আরো দুই লাখ টাকা বাড়তি খরচ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তারা শুধু আমার ভাইয়ের সাথেই প্রতারণা করেনি, আরো অনেকের সরলতার সুযোগ নিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!