আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি::
নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর কবিরের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকেলে রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর মোটরসাইকেল প্রতীকের লিফলেট বিতরণের সময় তানসেন নামের একজনকে মারধর করা হয়।
এ ছাড়া গতকাল রাতে আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গতকাল পাকুরিয়া খেলার মাঠে কথা–কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এর সঙ্গে জড়িত নন। এ ছাড়া আমার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটাও মিথ্যা।
মোটরসাইকেলের কর্মীরা নিজেরা নিজেদের ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো কাজ হবে না।
মারধরের শিকার স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী তানসেন বলেন, ‘আমি সাবেক মন্ত্রী আলমগীর কবিরের মোটরসাইকেল মার্কার লিফলেট বিতরণ করছিলাম। এ সময় পাকুরিয়া খেলার মাঠে আমাকে দেখতে পেয়ে রাণীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেনের ভাগনে লিটন কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই আলমগীর কবিরের দালাল আখ্যা দিয়ে আমাকে মারধর করতে শুরু করেন। পরে লিটনের সঙ্গে থাকা আরও পাঁচ-সাতজন আমাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাঁরা চলে যান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন বলেন, ‘একটি খেলার অনুষ্ঠানে আমাদের দাওয়াত ছিল। সেই দাওয়াতে আমরা মাইকে কথা বলছিলাম। এ সময় তানসেন মাইকের লাইন খুলে দেন। পরে আমরা চলে আসতে লাগলে তানসেন আবারও আমাদের বাধা দেয়। এ সময় কয়েকজন তাকে চড়থাপ্পড় দেন। তবে আমি কিছু তাকে বলিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গুন্ডাবাহিনী দিয়ে আমার নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। সোমবার রাণীনগর উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে মোটরসাইকেলের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করার সময় তানসেন নামে আমাদের এক কর্মীকে মারপিট করেছে ধানের শীষের প্রার্থীর গুন্ডাবাহিনী। ওই কর্মী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় আত্রাই রাণীনগর থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া গতকাল রাতে আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বাজারে আমাদের একটি নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। তাই সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় আছি।
মামলা না নেওয়ার বিষয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বলেন, মামলা নেওয়া হয়নি—এই অভিযোগ সত্য নয়। মারামারির ওই ঘটনায় গতকাল একটি পক্ষ থানায় এসেছিল। তারা মৌখিকভাবে অভিযোগ করে গেছে। আজ তাদের আবারও থানায় আসার কথা। লিখিতভাবে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#
caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121
Leave a Reply