হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন- – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত : আটক ১ বড়লেখায় মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন : দেড় বছরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ৭ বছর পার! বড়লেখায় কেএসকেপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি তোফায়েল, সম্পাদক মুর্শেদ আলম

হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন-

  • রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: 32768; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 111.74202; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

Manual3 Ad Code

হাওরে গড়ে উঠবে মাছ ও পাখিদের অভয়াশ্রম সেইসাথে রক্ষা পাবে উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য

আজিজুল ইসলাম, হাকালুকি থেকে ফিরে ::

এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় লাগানো হয়েছে ৩৯ হাজার ৫ শত জলজ গাছের চারা। আর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাওরে মাছ ও অতিথি পাখিদের অভয়াশ্রম গড়ে উঠবে। এমনকি এসব জলাবন বা সোয়াম ফরেস্ট প্রকৃতি প্রেমিদেরও কাছে টানবে। ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে এবং হাওর তীরের মানুষের জীবন জীবিকায়নে উন্নয়ন সাধিত হবে।

Manual6 Ad Code

হাকালুকি হাওরে এক সময় প্রচুর জলজ বন ছিল এবং এগুলো বন বিভাগের আওতায় ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের আওতা থেকে ভুমি মন্ত্রণালয়ের কাছে হাওরের ভুমির দ্বায়িত্ব চলে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে হাওরের জলজ বনগুলো মানুষের বেপরোয়া আহরণ এবং বন কেটে জমি তৈরির কারণে আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হতে থাকে। শুধু উদ্ভিদ নয় হাওর তীরের মানুষের অনিয়ন্ত্রিত ও অপরিকল্পিত কর্মকান্ডে হুমকির মুখে পড়ে পরিবেশ। ফলে ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে (ইকোলজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এরিয়া বা ইসিএ) প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২০০০ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর হাকালুকি হাওরে প্রথম উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ২০০৩ সালে হাকালুকি হাওরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ’সিডব্লিউবিএমপি’ প্রকল্প চালু হওয়ার সময় মাত্র দুটি জায়গায় অল্প পরিমানে হিজল ও করচের ছোট ছোট গাছ ছিল।

Manual1 Ad Code

পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিডব্লিউবিএমপি প্রকল্পের মাধ্যমে সিএনআরএস হাকালুকি হাওরের অনেকগুলো কান্দাতে হিজল ও করচের চারা রোপণ করে, সেই সাথে অনেক গুলো কান্দাকে সংরক্ষণের আওতায় আনা হয়। তারই প্রেক্ষিতে হাকালুকি হাওরের জল্লা বিল, মালাম বিল, সাতবিলা বিল, চৌলা বিল, পিংলা বিল, টোলার বিল, নাগুয়া-লরিবাই বিল, কাংলি বিল, শিংজুড়ি বিল, হাওয়া-বর্না বিল এর কান্দা এবং কাটা গাং ও বিরালী খালের পাড়ে রোপণকৃত জলজ বন ও সংরক্ষণের ফলে প্রাকৃতিক ভাবে গজানো হিজল, করচ ও বরুন গাছের বন দেখা যায়। যার আয়তন হবে আনুমানিক ১৬০ হেক্টর।

Manual3 Ad Code

হাকালুকি হাওরে যেসব এলাকায় সম্প্রতি এসব জলজ উদ্ভিদের চারা লাগানো হয়েছে তা হলো- কুলাউড়া উপজেলার নাগুয়া-লরিবাই বিলের কান্দায় ৫ হাজার, জুড়ী উপজেলার চাতলা, নামা তরুল, নাগুয়া-ধলিয়া বিলের কান্দায় ১৪ হাজার ৫শত বড়লেখা উপজেলার জল্লা ও মালাম বিলের কান্দায় ১৫হাজার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিরালী খালের পাড়ে ৫হাজার হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং এসব চারা রক্ষায় ৮ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে গরু-মহিষের দ্বারা ক্ষতি থেকে রক্ষায় দেওয়া হয়েছে বাঁশের বেড়া।

Manual2 Ad Code

সরেজমিনে হাকালুকি হাওরে গেলে দেখা যায়, নতুন সৃজিত জলজ গাছের চারা নতুন কুড়ি মেলেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের আগেই চারাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে গেলেও চারাগুলো মরবে না বলে জানান চারা লাগানোর কাজে নিয়োজিতরা।

হাকালুকি হাওরে কর্মরত সিএনআরএস নবপল্লব কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, এইসব জলজ বন সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে ‘নবপল্লব’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে হাকালুকি হাওরে জলজ বনের পরিমান বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন বিল ও খালের কান্দায় ৩৯ হাজার ৫ শত হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাকালুকি হাওরে বর্ষায় মাছ এবং শীতকালে অতিথি পাখির অভয়াশ্রম হবে। সর্বোপরি হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে আসবে।##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews