কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়া থেকে সিলিকাবালু লোপাটের হিড়িক! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় বেবিশপের শার্ট চুরি, সিসি ফুটেজে চোর শনাক্ত ও গ্রেফতার : চোরাইপণ্য উদ্ধার কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়া থেকে সিলিকাবালু লোপাটের হিড়িক! চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দাবিতে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ছাতকে অভিযানেও থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন : বালু লুটপা‌টের ঘটনায় ৫‌টি মামলায় গ্রেপ্তার ২ প্রবাসীরা চাইলে বাড়ি পাহারায় মিলবে আনসার সদস্য : ডিসি আবদুল্লাহ আল মামুন মানসিক প্রতিবন্দি আফিয়া ও রোবেনার শেকলবন্দি জীবন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার কমলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাব্বির এলাহীর মাতৃবিয়োগ ছাতকে বনভূমি পরিদর্শণকালে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দিলেন কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি   ছাত‌কে  চাদার টাকা না দেয়ায় অপপ্রচারে শিকার ব‌্যবসা‌য়ি দুলু‌ মিয়া! ব্যারিস্টার জহরত চৌধুরীর সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ায় সার্ফ পার্লামেন্টারিয়ান্স স্টাডি ট্যুর

কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়া থেকে সিলিকাবালু লোপাটের হিড়িক!

  • বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

Manual3 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় শতাধিক পাহাড়ি ছড়া থেকে বেপরোয়াভাবে সিলিকা বালু লোপাটের হিড়িক শুরু হয়েছে। মানা হচ্ছে না উচ্চ আদালতের রায়। অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছড়ার বাঁধ, টিলা, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আর বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ, প্রতিবেশ।

Manual3 Ad Code

জানা যায়, খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমোদিত মৌলভীবাজার জেলায় ৩৩টি সিলিকা বালু কোয়ারি রয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ২০১৩ সনের ১৮ জুন প্রজ্ঞাপন দ্বারা মৌলভীবাজার জেলার অন্তর্গত ৫১টি পাহাড়ি ছড়া সিলিকাবালু সম্পৃক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে ১৯টি-কে অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের জন্য ইজারা প্রদান করা হয়। ইজারা গ্রহীতাদের অনিয়ন্ত্রিত ও বেআইনীভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কমলগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা সমূহের পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। এব্যাপারে ২০১৬ সনের ৮ মার্চ বেলা জনস্বার্থে রীট পিটিশন দায়ের করে। শুনানি শেষে ২১ মার্চ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ১৯টি বালুমহালকে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) ও পরিবেশগত ছাড়পত্র (ইসিসি) ছাড়া পরবর্তী ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।

তবে উচ্চ আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কমলগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি দেওছড়া, সুনছড়া, জপলাছড়া, লাউয়াছড়াসহ বিভিন্ন ছড়া থেকে অবাধে সিলিকা বালু উত্তোলন চলছে। উত্তোলিত এসব বালু বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক একটি মহল। প্রশাসন এদের বিষয়ে কার্যত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে ছড়ার বাঁধ ও পার্শ্ববর্তী টিলাভূমি বিনষ্ট হচ্ছে। রাস্তাঘাট, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণের রাজস্ব।

Manual3 Ad Code

স্থানীয়রা জানান, বালু উত্তোলনকারী চক্র খুবই বেপরোয়া। তারা শ্রমিক লাগিয়ে বালু উত্তোলনের পর ট্রাক, পিকআপ, ট্রলি ও ঠেলাগাড়ি যোগে পরিবহন ও বিক্রয় করছে। প্রশাসন আসার আগেই তারা টের পেয়ে যায়। তখন স্থান ত্যাগ করে। প্রশাসনের লোক চলে যাওয়ার পরই আবার উত্তোলন ও বিক্রয় অব্যাহত রাখে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা’র সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক এড. শাহ সাহেদা আক্তার বলেন, ইজারা না নিয়ে বালু উত্তোলন করা অবৈধ। এটি ঠেকানোর দায়িত্ব প্রশাসনের। যাঁরা অবৈধ কাজের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তাঁরা উচ্চ আদালতের রায়কে অবমাননা করছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদনের বিষয়ে সরেজমিনে দেওছড়া পরিদর্শন করেছি। তবে সিলিকা বালু উত্তোলনের সংবাদ পেয়ে বুধবার দুপুরে এসিল্যান্ডকে সরেজমিনে পাঠিয়েছি। সেখানে যাওয়ার পর কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য ছড়া থেকেও বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।##

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!