আত্রাইয়ে গো-খাদ্য সংকটে কৃষক ও খামারীরা দিশেহারা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান- ‘প্রাইড অব বৃটেন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সিলেটী কন্যা রেহানা আহমেদ ওসমানীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্নয় ক্যাম্পেইন ৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন চারুকলার জিয়াউল বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী : রক্তে ভেজা কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে নিয়মিত হেলমেট পরিধানকারি মোটরসাইকেল আরোহীদের সম্মাননা

আত্রাইয়ে গো-খাদ্য সংকটে কৃষক ও খামারীরা দিশেহারা

  • রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

Manual7 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) ::

Manual5 Ad Code

নওগাঁর আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে খর কিনে গো-খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। এতে করে এলাকার হাজার হাজার কৃষক ও গো-খামারীরা হিমসিম খাচ্ছে। অনেকে গো-খাদ্য সংকটের কারনে গরু ছাগল বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

Manual1 Ad Code

জানা যায়, এ বছর পর পর দু’বার ভয়াবহ বন্যায় আত্রাইয়ের কোন মাঠে আমন ধানের চাষ হয়নি। অন্যান্যবার উপজেলার ৮ ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হতো। এর মধ্যে মনিয়ারী, ভোঁপাড়া, শাহাগোলা ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমান জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়। আর এসব ধানের খর এলাকার গো-খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে দেশে অন্যান্য জেলায় এ খরগুলো বিক্রি করা হতো। কিন্তু এবারের ভয়াবহ বন্যায় আমন ধানের চাষ না হওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে জেলার যেসব থানায় আমন ধানের চাষ হয়েছে ওই এলাকা থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে খর কিনতে হচ্ছে কৃষক ও গো-খামারীদের। প্রতিদিন সেই কাকডাকা ভোরেই ভ্যানযোগে গো-খাদ্য নিয়ে হাজির হন উপজেলা সদরের সাহেবগঞ্জ ব্রিজে। আর মুহুর্তের মধ্যেই এগুলো বিক্রি হয়ে যায় খামারী ও কৃষকদের কাছে।

Manual6 Ad Code

ভ্যানযোগে আত্রাইয়ে খর বিক্রি করতে আসা রাণীনগর উপজেলার জলকৈ গ্রামের ইদ্রিস আলী ও উজলপুর গ্রামের কেরামত আলী বলেন, আত্রাইয়ে গো-খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা আছে। এ জন্য আমরা প্রতিদিন সকালে খর বোঝাই ভ্যান নিয়ে এখানে আসি। রাণীনগর এলাকায় আমন ধানের চাষ হওয়ায় সেখানে পর্যাপ্ত পরিমান খর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ওই এলাকার কৃষকের কাছ থেকে খর কিনে এখানে নিয়ে আসি। প্রতি ভ্যান খর ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রয় হয়। এতে আমরা বেশ লাভবান হই।

Manual8 Ad Code

আত্রাই উপজেলার জামগ্রামের সাইদুর রহমান বলেন, আমন ধানের খরের উপর ভরসা করে আমরা ইরিবোরো ধানের খর ওই সময় বিক্রি করে দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সকল ভরসা ম্লান হয়ে গেছে ভয়াবহ বন্যায়। না পেলাম ধান, না পেলাম খর। এ যেন আম-ছালা দু’টাই হারালাম। আমাদের অঞ্চলে আমন ধান না হওয়ায় উচ্চ মূল্য দিয়ে খর ক্রয় করতে হচ্ছে।

শাহাগোলা গ্রামের সোহেল হোসেন বলেন, যে খর আগে কিনতাম ৫০০ টাকায় সেই খর এবার কিনতে হচ্ছে ২৫০০ টাকায়। এতে করে গরু ছাগল প্রতিপালন আামদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews