বড়লেখা-জুড়ীর পিডিবি গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ট-অভিযোগেও মিলে না প্রতিকার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় দুই হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বীজ ও সার বিতরণ বড়লেখায় ঋণগ্রস্থের হতাশায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু জুড়ীতে সিটি ব্যাংক শাখার উদ্বোধন কুলাউড়ায় প্রবাসীর জমি জবর দখলের চেষ্টা : আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার সি‌লেট সুনামগঞ্জ ও‌ গো‌বিন্দগঞ্জ ছাতক সড়ক-ময়লার ভাগাড়ে জলাবদ্ধতা : দুর্ভোগ কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়ায় পাওয়া গেল চা শ্রমিক যুবকের লাশ বড়লেখায় কমিউনিটি সেন্টারে চুরি : মালামাল উদ্ধার চোর গ্রেফতার বিশ্ব বাবা দিবস: সকল বাবাদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম পারুলের দেশ সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে কুলাউড়ার ৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

বড়লেখা-জুড়ীর পিডিবি গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ট-অভিযোগেও মিলে না প্রতিকার

  • শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২

Manual5 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা :

Manual1 Ad Code

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার পিডিবি বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন। মিটারের ব্যবহৃত ইউনিট থেকে শত শত ইউনিট অতিরিক্ত ধরে অস্বাভাবিক বিল দিচ্ছে পিডিবি। অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় বড়লেখা ও জুড়ীর ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বৃহস্পতিবার বিকেলে জুড়ী নাইট চৌমুহনী এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। পরে তারা পিডিবি’র আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয় ঘেরাও করে শ্লোগান দিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

মানববন্ধন সমাবেশে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে করতে তারা সর্বশান্ত। আগের তুলনায় এখন কয়েকগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল আসছে। বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, আগামী মাস হতে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মাসের পর মাস ধরে অস্বাভাবিক বিল আসছেই। সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে। বিছিন্ন সংযোগ পূণরায় নিতে গেলে ভুতুড়ে বিল পরিশোধের পাশাপাশি সংযোগ নিতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। মানববন্ধনে বক্তারা এ হয়রানী পরিত্রানে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বড়লেখা উপজেলার কাশেমনগর গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক আব্দুল মন্নান জানান, ১৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার তার মিটারের ব্যবহৃত রিডিং ৬৩২০ ইউনিট। কিন্ত পিডিবি প্রায় ২০ দিন আগের জুলাই মাসের বিলে ব্যবহৃত ইউনিট ৯২৩৭ দেখিয়ে ২০১৯ টাকার বিল দিয়েছে। জুড়ী উপজেলার জাঙ্গিরাই গ্রামের ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, প্রতিমাসে মিটারের রিডিং না দেখে অতিরিক্ত ৮০০ থেকে ১০০০ ইউনিটের বিল দেয়া হচ্ছে। এতে করে আমাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বার বার অফিসে গিয়েও সমাধান না করায় আমরা মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি। সমাধান না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি পালনে বাধ্য হব।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী গ্রাহক আবু সাঈদ জানান, আমার বাবার নামের মিটারে প্রতি মাসে দুই হাজারেরও বেশি ইউনিটের বাড়তি বিল দেয়া হচ্ছে। ভুতুড়ে বিল থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই। ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম জানান, আগে আমার বাড়িতে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা বিল আসতো এখন বিল আসে ৩ হাজার হতে ৩২শ’ টাকা। বিদ্যু বিল দিতে গিয়ে আমরা সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছি। বেলাগাও গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, আমার মিটারে প্রত মাসে ৩ হাজার ইউনিটের বেশি বিল দেয়া হচ্ছে। আমি একজন সাধারণ কৃষক। কিন্তু বারবার অফিসে গিয়েও এর সমাধান পাচ্ছি না। আমরা এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই।

Manual7 Ad Code

জানা গেছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটারের রিডিং দেখে বিল দেয়ার নিয়ম থাকলেও পিডিবি কর্মচারীরা প্রতিমাসে অফিসে বসে অনুমান নির্ভর ভুতুড়ে বিল তৈরি করে গ্রাহকদের কাছে বিলি করছে। এতে করে অতিরিক্ত বিলের বোঝা মাথায় নিয়ে বিদুৎ অফিসসহ বিভিন্ন জায়গা ধরণা দিচ্ছে সাধারণ গ্রাহক। অনেক সময় অফিসের লোকজনের সাথে ভুতুড়ে বিলকে কেন্দ্র করে গ্রাহকরা জড়িয়ে পড়ছেন বাক বিতন্ডা। দীর্ঘদিন থেকে এ সমস্যা চলতে থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ চরম আকারে পৌঁছেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা রিডিং না দেখে বিল দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, অনেকেই অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। যার কারণে বিদ্যুৎ বিতরণে সিস্টেম লস হচ্ছে। এ ঘাটতি পূরণে বৈধ গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল দিয়ে তা সমন্বয় করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

এব্যাপারে জানতে পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী উসমান গনির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। জুড়ী পিডিবি আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনসারুল কবির শামীম বলেন, যারা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করছেন মিটার দেখে তাদের বিল সমন্বয় করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!