অদম্য মেধাবী : চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছে দারিদ্রতা অনন্যার প্রতিবন্ধকতা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ

অদম্য মেধাবী : চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছে দারিদ্রতা অনন্যার প্রতিবন্ধকতা

  • সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

Manual6 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের অসহায় অসুস্থ্য অরুন কর্মকার ও কাজলী রানী সেনের মেয়ে অদম্য মেধাবী অনন্যা কর্মকার। সে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে এসএসসিতে শমশেরনগর হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তারা এক বোনও এক ভাইয়ের মাঝে অনন্যা বড়। মেধাবী এ ছাত্রীর ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফলাফল করে পরে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে একজন চিকিৎসক হয়ে অসহায় রোগীদের সেবা করতে। তবে তার বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে দারিদ্রতা।

Manual4 Ad Code

অনন্যার বাবা অরুন কর্মকর্তার পৈত্রিকভাবে কাজ শিখে জুয়েলারী ব্যবসা করতেন। তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে নানান রোগে আাক্রান্ত হওয়ায় ও করোনা সংক্রমণকালে তার ব্যবসায় লোকসানে পড়ে এখন একেবারে বেকার হিসেবে ঘরে বসে আছেন। যখন তিনি ব্যবসা করেছিলেন তখন মেয়ে ও ছেলেকে স্থানীয় আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন স্কুলে পড়িয়েছেন। অভাব অনটন শুরু হলে মেয়েকে পাশের হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করেন। আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের ধার দেনায় ও সহায়তায় এ বছর মেয়ে অনন্যার এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করিয়েছিলেন। মেয়ে পড়াশোনায় ভালো বলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও নানাভাবে তাকে সহায়তা করেন। ফলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে মাত্র ২জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মাঝে অনন্যা অন্যতম। এখন মেয়ের ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে একটি ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে। তবে এখন মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হলে তাকে শেষ সম্ভল বসত ভিটে বিক্রি করতে হবে।

Manual2 Ad Code

মেধাবী ছাত্রী অনন্যা কর্মকার পারিবারিক দারিদ্রতার কথা উল্লেখ করে বলে, কোন না কোনভাবে সহায়তা পেলে সে আগামী ২ বছর মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করতে পারবে। এমনকি সরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে।

শমশেরনগর হাজী মো. উস্তওয়ার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিক বলেন, আসলেই অনন্যা কর্মকার একজন অদম্য মেধাবী। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়তা করা উচিত। তাহলে ভবিষ্যতে সে একজন চিকিৎসক হতে পারবে।#

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!