হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের বৈরী আবহাওয়া আর বানের জলের সাথে লড়াই  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় শিক্ষকদের উদাসীনতায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত বড়লেখায় কূপে পড়ে শিশুর মৃত্যু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন- ছাতকে দু’ গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়‌নি  আত্রাইয়ে হেরোইন ও অ্যাম্পুলসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বকবির বিচরণ ছিল দৃঢ় : মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল  হাবিব  দুলু কমলগঞ্জে স্বামী-স্ত্রী’র বিরোধ : শিশুকে অপহরণ স্টাইলে তুলে নেয়ার চেষ্টা ছাতকে রশিটান খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত ৪ কমলগঞ্জের শমশেরনগর হাসাপাতালদাতা সদস্যের ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এমবি খ্যাত প্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তার সংবর্ধনা কুলাউড়ায় হাফিজ ছাত্রদের পাগড়ি পরিধান ও এমপিকে সংবর্ধনা

হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের বৈরী আবহাওয়া আর বানের জলের সাথে লড়াই 

  • রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

Manual8 Ad Code
এইবেলা, কুলাউড়া  ::
 টানা ৭দিন থেকে বৈরী আবহাওয়ার সাথে বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা মোকাবেলা করে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি থেকে বোরো ধান কাটার যেন প্রাণপন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা।  পানির নিচ থেকে তুলে আনা ডেরায় পচন ধরতে শুরু করেছে।  অনেক ছেড়ে দিয়েছেন ধানের আশা।
সরেজমিন হাকালুকি হাওরের দক্ষিণ তীরের কুলাউড়া উপজেলা অংশের জয়চন্ডী ও ভুকশিমইল ইউনিয়নে গেলে কৃষকদের প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবেলা করে ধান কাটতে দেখা যায়। কেটে আনা ধান রাখা হয়েছে স্তুপ করে। মাড়াই দিতে রোদের আশায় অপেক্ষায় রয়েছেন।
 সরেজমিন হাকালুকি হাওরের ধলিয়া বিলে গেলে জয়চন্ডী ইউনিয়নের মীরশংকর গ্রামের মান্নান মিয়া, রইছ আলী, লতিফ মিয়া,  আব্দুল করিম জানান, ৫ দিন আগে ধান কেটে স্তুপ করে  রাখা। মেশিন ছাড়া মাড়াই করার কোন সুযোগ নেই। এমন সময় ধান পানিতে তলিয়ে গেলো যখন মেশিন দিয়ে ধান কাটার সুযোগ ছিলো না। আর ধান কাটার শ্রমিকও মিলছে না। পাকা ধান চোখের  সামনে তলিয়ে যাচ্ছে।  মুলত বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধানের আশা ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই।
 শুধু মীরশংকর নয় পার্শ্ববর্তী হাওর তীরের সাদিপুর, কোরবানপুর, গৌড়করণ, ভুকশিমইলসহ সবক’টি গ্রাম ঘুরে কৃষকের সাথে কথা বলে পাওয়া যায় হতাশার চিত্র।  সবার একই কথা, বছরে এক ক্ষেত। এই বোরোধান সারাবছরের খাবার। এবার মনে হয় না খেয়ে  থাকতে হবে। কৃষকদের দাবি, আগাম বন্যায় বোরোধান রক্ষায়  যেন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাহলে হাওর পাড়ের লাখ লাখ মানুষ আর বোরোধান নিয়ে  দু:শ্চিন্তায় পড়বে না।
 কুলাউড়া উপজেলা কৃষি অফিস জানায়,  এবার উপজেলায় ৮ হাজার ৭শত ২০ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ করা হয়।  এরমধ্যে হাওর এলাকায় ৪ হাজার ৮শত ০৫ হেক্টর।
ভুকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির জানান,  হাওর তীরসহ তার ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে অর্ধেকের বেশি বোরোধানের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে।
কুলাউড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জসিম উদ্দিন জানান,  হাওর এলাকায় ৯০ ভাগ মানুষ বোরোধান ধান কাটতে সক্ষম হয়েছেন। আর উপরিভাগে ৬৫ ভাগ ধান কাটতে সক্ষম হয়েছেন কৃষকরা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তবে যেভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতে আর ধান তোলার কোন আশা নেই।##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!