ভালুকা বিদ্যুৎ অফিসের হিসাব রক্ষকের অবৈধ সম্পদের পাহাড়! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ সাড়ে ৩ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড কমলগঞ্জে এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কুলাউড়ায় জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার

ভালুকা বিদ্যুৎ অফিসের হিসাব রক্ষকের অবৈধ সম্পদের পাহাড়!

  • শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২

Manual1 Ad Code
ভালুকা ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ভালুকার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের হিসাব রক্ষক ও জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ ভালুকা শাখা কমিটির সভাপতি এস. এম এমদাদুল হকের অবৈধ সম্পদের পাহাড় তদন্তের দাবি করেছেন এলাকাবাসী। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে উপজেলার রাংচাপড়া ৭ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এস. এম এমদাদুল হকের ঢাকায় পূর্ব আজমপুর গুলবার মুন্সি স্মরণী রোডের ১৮৫ নম্বর আট তলা একটি বাড়ি রয়েছে। ভালুকা পৌরসভার গ্যাস লাইন মোড়ে তিন তলা একটি ও গ্রামের বাড়ি রাংচাপড়ায় একটি আলিশান বাড়ি রয়েছে। গ্রামের বাড়িতে সে তার ব্যাক্তিগত ক্ষমতা বলে সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজ বাসায় আবাসিক একটি মিটারের জন্য একাই ২৫০ কেবি একটি ট্রান্সফর্মার ব্যাবহার করেন। সাত দিন ব্যাপী মেয়ের বিয়ের ব্যায়বহুল অনুষ্ঠান করেছেন। মেয়ের বিয়েতে একশত ভরি স্বর্ণ উপহার দিয়েছেন। তাছাড়া তার স্ত্রীরও সমপরিমান স্বর্ণ রয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে যে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ভালুকার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের হিসাব রক্ষক ও জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগ ভালুকা শাখার কমিটির সভাপতি এস.এম এমদাদুল হকের ছেলে ও মেয়ের নামে অনেক জমি ও সম্পদ ক্রয় করেছে। সম্প্রতি দিদার ফ্যাক্টরি নামের একটি কারখানার মালিকের কাছ থেকে কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে। অভিযোগ আরও উল্লেখ রয়েছে যে, এমদাদুল হক এরকম আনেক চাঁদাবাজি করেই চলছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
এমদাদুলের ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে চায় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাংচাপড়া গ্রামের এক ব্যাবসায়ী জানান, সামান্য হিসাব রক্ষক পদে চাকুরি করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করা কিভাবে সম্ভব। সে যে একজন দূর্নীতিবাজ এটা তার চাল চলনেই প্রমানিত হয়। আমরা এলাকাবাসী তার অত্যাচারে অতিষ্ট। আমরা চাই তার সম্পদের হিসাব সরকারকে দেওয়া হোক।
বাউবো ভালুকার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের হিসাব রক্ষক অভিযুক্ত এস. এম. এমদাদুল হক মোবাইল ফোনে বলেন, যে যত পারেন অভিযোগ দিন, আমার কোন সমস্যা নাই। এখন দূরে আছি পরে আপনার সাথে দেখা করে এ বিষয়ে কথা বলবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!