বড়লেখায় পিডিবির বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ

বড়লেখায় পিডিবির বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ

  • রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০

Manual4 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

Manual7 Ad Code

বড়লেখা উপজেলার সহস্রাধিক পিডিপির বিদ্যুৎ গ্রাহক ভুতুড়ে বিল, লো-ভোল্টেজ, এসটি ফিউজ লাগাতে অর্থ আদায়সহ নানা হয়রানীতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট ভুক্তভোগী গ্রাহকরা অভিযোগ দিয়েও সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এখন তারা বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর হয়রানীর বিরুদ্ধে বৃহত্তর কর্মসুচি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় পল¬ীবিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের বৃহত্তর দোহালিয়া, গজভাগ, কাশেম নগর, গুচ্ছগ্রামসহ কয়েকটি গ্রামে এখনও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন মিটারের রিডিং না দেখে অস্বাভাবিক ইউনিট ধরে প্রতি মাসে কাল্পনিক বিল করায় গ্রাহকরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন। এ তিন গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ দিনমজুর। অনেকে ২/৩ বাতির সাথে বড়জোর ২টি ফ্যান ব্যবহার করেন। কিন্তু মাস শেষে পিডিপি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার বিল ধরিয়ে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ গ্রাহক লনি মিয়াকে জুলাই মাসে ৩৪৮৪ টাকা, খালই মিয়াকে ১১৩৫ টাকা, আহছান উদ্দিনকে ৪০৭২ টাকা, মনিরুন বিবিকে ১২২০ টাকার বিল দিয়েছে পিডিবি। তাদের ব্যবহার অনুযায়ী প্রতিমাসে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার বেশি বিল আসার কথা নয়।

Manual4 Ad Code

বিদ্যুৎ গ্রাহক ফরিদ আহমদ, রজব উদ্দিন, রমজান আলী, সুবির দেব, আছমা বেগম, নজিব আলী, তসিদ আলী, আতিকুর রহমান প্রমুখ জানান, পিডিবি ঘুষখোর কর্মচারীরা ট্রান্সফরমারের ধারণ ক্ষমতার বাহিরে অবৈধ সংযোগ দেয়ায় সন্ধ্যার পর তারা মোমবাতির আলোও পান না। ট্রান্সফরমারের এসটি ফিউজ পুড়ে গেলে ঘুষ না দিলে পিডিবির লাইনম্যান ফিউজ লাগিয়ে দেয় না। বিকাশে টাকা পাঠালে লাইনম্যান মেইন লাইন সাটডাউন দেন। তারপর স্থানীয় কোন লাইনম্যানকে টাকা দিয়ে এসটি ফিউজ লাগাতে হয়। সাব-এসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আনছারুল কবির শামীম নানা অজুহাতে গ্রাহকদের মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন। ইতিপুর্বে বিভিন্ন অভিযোগে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে মাত্র ৪ মাসের মাথায় পুনরায় এখানে ফিরে তিনি পুর্বের মতো ঘুষ বাণিজ্য শুরু করেছেন। পিডিবির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর হয়রানীতে তারা অতিষ্ট হলেও দেখার যেন কেউ নেই। গত ২৯ জুন ভুতুড়ে বিলের হয়রানী বন্ধের জন্য শতাধিক গ্রাহক পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো পরের মাসেও ভুতুড়ে বিল দেয় পিডিবি। আগস্ট মাসেও ভুতুড়ে বিল আসার আশংকা করছেন তারা।

Manual8 Ad Code

এব্যাপারে জানতে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী সামস বিন আরেফীনের সাথে রোববার বিকেলে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি জরুরী সভায় রয়েছেন, পরে কথা বলবেন জানিয়ে বিষয়গুলো এড়িয়ে যান। এরপর অনেকবার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!