বড়লেখায় শ্বশুড়বাড়ি থেকে জামাতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আত্রাইয়ে শুরু হলো কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সংরক্ষিত বন ধ্বংস করে অবৈধ বালু উত্তোলন:  ছাতকে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি কুলাউড়ায় অনলাইন ৪ জুয়াড়ীসহ ৭ জন আটক জর্জিয়ায় বড়লেখার ইটালি প্রবাসির মৃত্যু- লাশ পৌঁছে দিতে সরকারের প্রতি বাবা-মা ও স্ত্রীর আকুতি বড়লেখায় জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু কমলগঞ্জে সংরক্ষিত বনের ৫একর ভূমি উদ্ধার; অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল বনবিভাগ বড়লেখায় প্রাইমারি স্কুলের আঙিনায় বৃক্ষ চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন আদালতের নির্দেশে দোকান খুলে নগদ টাকা, মালামাল ও লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগ: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি। আত্রাইয়ে বয়তুল্ল্যাহ সেতুর পাশে ধস: বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

বড়লেখায় শ্বশুড়বাড়ি থেকে জামাতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  • মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

Manual8 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

Manual6 Ad Code

Manual1 Ad Code

বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ গ্রামে শ্বশুড়বাড়ির পাশে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে জামাতা কয়ছর আহমদ (৩৫) এর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি এবং সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার হাতলিঘাট গ্রামের মৃত মখলিছুর রহমানের ছেলে। প্রায় দুই মাস ধরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে সে কুলাউড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছে। ৫ দিন পূর্বে দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী মরিয়ম বেগম হেপি বাবার বাড়ি চলে আসেন।

রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানামূখি জল্পনা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন, থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, ওসি (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

জানা গেছে, জকিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হলেও নিহত কয়ছর আহমদ দীর্ঘদিন ধরে বিয়ানীবাজার উপজেলার বারইগ্রাম এলাকায় বসবাস করতেন। সেখান থেকেই ২০১৫ সালে সে উপজেলার দক্ষিণভাগ গ্রামের মোক্তার আলীর মেয়ে মরিয়ম বেগম হেপিকে বিয়ে করে। তাদের শিশু বয়সি একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। দুই মাস আগে তারা কুলাউড়ায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করছে। মরিয়ম বেগম হেপির চাচি লাইলি বেগম জানান, জামাতা কয়ছর আহমদ দুই শিশু সন্তানকে রেখে স্ত্রী হেপিকে মারধর করে কুলউড়ার বাসা থেকে বের করে দিলে সে দক্ষিণভাগ গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে আসে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল হক ও দুই পরিবারের মুরব্বিরা চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্ত মঙ্গলবার সকাল ন’টার দিকে হেপির আরেক চাচি ইয়ারুন নেছা আমাদের পুকুরে হাঁস ছেড়ে দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরপাড়ের একটি গাছের প্রায় ২০ ফুট উপরে এক যুবকের লাশ রশিতে ঝুলছে। তখন আশপাশের লোকজন ভিড় জমান এবং যুবকের প্যান্ট ও সার্ট দেখে কয়ছর আহমদের লাশ সনাক্ত করেন। তাদের দাবি কয়ছর আহমদ শ্বশুড়বাড়িতে আসেনি।

Manual1 Ad Code

তবে, নিহতের বড়বোন ফাতেমা বেগম এনির দাবী শ্বশুড়বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখে।

থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছেন। এব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের জেরে সে আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!