বড়লেখা-জুড়ী নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের কর্মবিরতি : জনভোগান্তি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে অটোরিকশা চালক খুনের ঘটনায় মেয়েসহ সিএনজি মালিক আছমা বেগম গ্রেফতার বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর

বড়লেখা-জুড়ী নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের কর্মবিরতি : জনভোগান্তি

  • বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual5 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual8 Ad Code

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালিত আইডিইএ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি আত্মীকরণ অনিশ্চয়তায় অবশেষে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করছে প্রকল্পভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর প্রভাবে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন, তথ্য সংশোধন, স্মার্টকার্ড বিতরণসহ এনআইডি সংক্রান্ত সবধরণের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।

Manual5 Ad Code

কর্মবিরতি শুরু থেকেই সেবা নিতে আসা মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে ভিড় দেখা গেলেও কাউন্টার ছিল সম্পূর্ণ অচল। ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা অফিসে অবস্থান করলেও তারা সেবাগ্রহীতাদের কোনো কাজ করেননি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের এক দফা দাবিতে তারা কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে উপজেলার দূর-দূরান্ত থেকে নির্বাচন অফিসে নানা কাজে আগত লোকজন পড়েন ভোগান্তিতে।

Manual6 Ad Code

কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা জানান, ২০০৭-০৮ সালে পিইআরপি ও ফিনডিক প্রকল্পের আওতায় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও বায়োমেট্টিক ডাটাবেজ গঠনের কাজ তারা সফলভাবে সম্পন্ন করেন। এরপর থেকে এনআইডি সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন ভোটার নিবন্ধন, তথ্য সংশোধন, স্মার্টকার্ড বিতরণসহ সব প্রযুক্তিনির্ভর কাজ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ থাকা সত্তে¡ও স্থায়ী নিয়োগ না পাওয়ায় তারা অনিশ্চয়তায় ভোগছেন।

অপর এক কর্মচারি জানান, ‘আমরা বহু বছর ধরে দক্ষতার সাথে কাজ করছি। এখন নতুন জনবল নিয়োগ দিলে পুরো ব্যবস্থাপনাই আবার নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে, যা অকার্যকর এবং সেবায় বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে।’

২০২৪ সালের ২১ আগস্ট মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের পর দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও এক বছরের বেশি সময় পার হলেও চাকরি আত্মীকরণ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানান তারা। প্রকল্পের মেয়াদ আর মাত্র এক বছর বাকি। তাদের দাবি, এভাবে প্রকল্প শেষ হলে বেশিরভাগ কর্মচারীর চাকরির বয়সসীমা পেরিয়ে যাবে। তখন বেকারত্বকেই বরণ করে নিতে হবে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!