পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন- ছাতকে দু’ গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়‌নি  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ৮ ছাত‌কে কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের ভূমি দখলচেষ্টার অভিযোগে উত্তেজনা তিন মাস পর পুনরায় চালু ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল শোক সংবাদ ॥ সুনীল কান্তি দেবনাথ ॥ ছাতকে ভারতীয় বিড়ি উদ্ধার পলাতক ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা বড়লেখার ডিমাই সীমান্ত- বিজিবির গুলিবর্ষণে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত জাকির হোসেন উজ্জ্বল কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত হওয়ায় বড়লেখায় আনন্দ মিছিল শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শনে এমপি মুজিব কুলাউড়ায় কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস : কৃষকদের সম্মান করলে দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে-এমপি শওকতুল ইসলাম বড়লেখায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন- ছাতকে দু’ গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়‌নি 

  • রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

Manual6 Ad Code

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজারে জমি রেজিস্ট্রি ও পাওনা টাকা নিয়ে চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের চার দিন পার হলেও এখনো মামলা নেয়নি পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে সুনামগঞ্জ–সিলেট মহাসড়কের পাশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টার জন্য পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ দফায় দফায় ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হলে মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

Manual7 Ad Code

এমপি কামরুল আহত সংঘর্ষের খবর পেয়ে সিলেটগামী পথে থাকা সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। হঠাৎ ছোড়া ইট তার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পুলিশ–সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছাতক থানা পুলিশ, জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর শান্তিগঞ্জ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অন্তত ২০ রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা অভিযানের পর রাত ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আহত শতাধিক, বহু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত সংঘর্ষে অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। খিদ্রাখাপন গ্রামের আকমল, লোকমান, ইসতিয়াক, হুসাইন, জাবেদসহ গুরুতর আহত ২৫ জনকে ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। বাজারের অন্তত ৫০টি দোকান ও জামে মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহাসড়কের দুই পাশে ছয় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

বিরোধের সূত্র জাউয়া কোনাপাড়ার মোহাম্মদ আলীর দাবি—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আখলুছ মিয়ার কাছে তার প্রায় ২০ লাখ টাকা পাওনা। জমির রেজিস্ট্রি দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা এবং টাকা না ফেরত পাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার হাতাহাতির পর শুক্রবার সংঘর্ষ চরম রূপ নেয়।

Manual7 Ad Code

মামলা গ্রহণে পুলিশের গড়িমসি? ঘটনার চার দিন পার হলেও ছাতক থানা কোনো মামলা গ্রহণ করেনি। ওসি মিজানুর রহমান বলেন —“স্যার–পুলিশ এসল্ট মামলা হওয়ায় প্রক্রিয়াগত কারণে দেরি হচ্ছে।”

Manual1 Ad Code

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ—ঘটনার ভয়াবহতা ও একজন সংসদ সদস্য আহত হওয়ার পরও মামলা না নেওয়া পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার ইঙ্গিত দেয়। তারা মনে করছেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের দুর্বলতা ও বিলম্ব ভবিষ্যতে আরও বড় প্রশাসনিক সংকট তৈরি করতে পারে।

Manual4 Ad Code

পরিস্থিতি এখন শান্ত জাউয়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল কবির জানিয়েছেন, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।###

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!