আত্রাইয়ে ক্রেতাশূন্য বাজারে অলস সময় কাটছে দোকানিদের – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওসমানীনগরে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দআটক ১ দোয়ারাবাজারে এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দু’শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা কমলগঞ্জে অভ্যন্তরীণ ৪৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ প্রণোদনা নয় বোরোধান রক্ষায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহনের দাবি হাকালুকি পাড়ের কৃষকদের খাদ্যে ভেজাল রোধে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে —-এমপি লুনা কমলগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে চুরির অপবাদে অমানষিক নির্যাতন; ভিডিও ভাইরাল কুড়িগ্রামে ওয়াল্ড ভিশনের আয়োজনে ৫৪টি পরিবার পেল স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিন সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়কে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন- বড়লেখায় ১১৬৮ মেট্রিক টন ধান ও চাল কিনবে সরকার

আত্রাইয়ে ক্রেতাশূন্য বাজারে অলস সময় কাটছে দোকানিদের

  • সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

Manual2 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি ::

Manual6 Ad Code

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে দোকানিদের সাধারণত সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টা দম ফেলানোর ফুরসত থাকে না নিত্যপণ্যের দোকানিদের। তপ্ত দুপুরে অনেক দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা একটু বিশ্রামের সুযোগ পান। কিন্তু সরকারঘোষিত লকডাউনের চতুর্থ দিনে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বেলা ১০টার দিকেও অনেক দোকানে দেখা নেই ক্রেতার। অন্যান্য দিনগুলোতে এই সময়ে যখন তাদের ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার হয়, আজ সেই সময়ে ক্রেতাদের জন্য চেয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। উপজেলার বেশ কয়েকটি হাট-বাজার ঘুরে এমন ক্রেতাশূন্য অবস্থা দেখা গেছে।

কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শুরুর আগে অনেকে বেশি করে বাজার করেছেন। যার ফলে এখন বাজার খোলা থাকলেও অতিরিক্ত বাজার মজুদ করার কারণে এখন আর তাদের বাজারে আসতে হচ্ছে না। আর তাই ক্রেতাশুন্য বাজারে সবজি, মাছ, মাংসের দোকানে অলস সময় কাটছে দোকানিদের।

Manual8 Ad Code

উপজেলার ভবানীপুর মাছবাজারের মাছ বিক্রেতা অসিত হালদার বলেন, লকডাউন ঘোষণার আগে আমাদের বেঁচা-বিক্রি স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণার করার পর এখন মাছ কিনে বিপদে পড়তে হচ্ছে। আমরা বসে থাকি কিন্তু মাছ কেনার মানুষ নাই।

ক্রেতা না থাকার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, লকডাউনের ঘোষণা শুনে অনেকে বেশি বেশি করে বাজার করেছে। সবাই মাছ-মাংস কিনে ফ্রিজে রেখেছেন। এখন বাজারে লোক নেই। আগে এই সময়ে অনেক ব্যস্ত সময় কাটতো কিন্তু এখন ক্রেতাই নেই। কেনা দামেও মাছ বিক্রি করতে পারছি না।

আনাম সরদার তার দোকানে রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, সিলভারকাপের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। রুই বিক্রি করছেন ২০০ টাকা, কাতল বিক্রি করছেন ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।

আনাম সরদার জানান, আগের চেয়ে মাছ বর্তমানে কম দামে বিক্রি করছেন তিনি। তারপরেও ক্রেতা না থাকার কারণে মাছ বিক্রি করতে পারছেন না তিনি।

Manual6 Ad Code

এছাড়া এই বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা। ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৬০, লাল কক মুরগি ২০০ এবং সাদা রঙের দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩২০ টাকা করে।

Manual7 Ad Code

সবজির বাজারও অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, কচুর লতি ৪৫ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, শশা প্রতি কেজি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু ৩০ টাকা হালি এবং কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা গেছে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!