বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার কমলগঞ্জের পালিতকোনা পূজামন্ডপে গুণীজন সংবর্ধনা ছাতকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শণ করলেন সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ জুড়ী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে

  • সোমবার, ২০ জুন, ২০২২

Manual6 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি::

Manual3 Ad Code

বড়লেখায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। বানভাসিদের আর্তনাদে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে দুর্গতরা। উপজেলার ২১ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের কোনটিতেই তিল ধারণের জায়গা নেই। কানায় কানায় পরিপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্রে নতুন আগত দুর্গতদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এদিকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের দুর্গতরা খাদ্যাভাবে চরম দুর্ভোগ পোয়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বাবা-মা পড়েছেন মহাবিপাকে। উদ্বুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী সোমবার রাতে উপজেলার সকল জনপ্রনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

Manual1 Ad Code

সরেজমিনে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ সরকারি প্রাইমারি স্কুল ও ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলে সেখানে আশ্রয় নেওয়া ভোলারকান্দি গ্রামের হনুফা বেগম জানান, ঘরে কোমর পানি হওয়ার পরই নিরুপায় হয়ে রোববার সকালে ছেলে, ছেলের বউ, মেয়ে ও নাতি নাতনি নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। ওইদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু শুকনো খাবার ও চাল দেওয়া হয়। এগুলো দিয়ে রাত কাটিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এ দুই আশ্রয় কেন্দ্রে ১৭৫ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। খাদ্য সংকটে দুই কেন্দ্রের সহস্রাধিক দুর্গত মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে তিল ধারণের জায়গা না থাকলেও দুর্গত মানুষের আগমন অব্যাহত রয়েছে। ফলে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করা হচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও চাল, ডাল ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। উদ্বুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোমবার রাতে প্রশাসনিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews