কুড়িগ্রামে পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছে অদম্য মেধাবী মানিক  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বড়লেখায় মাসব্যাপী কুরআন প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ  বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড

কুড়িগ্রামে পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছে অদম্য মেধাবী মানিক 

  • সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

Manual1 Ad Code
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :: পা দিয়ে লিখে চলতি বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মানিক রহমান। জন্ম থেকেই দুই হাত নেই তার।
সোমবার দুপুরে প্রকাশিত এসএসসির ফলাফলে মা-বাবার মুখ উজ্জল করে গোল্ডেন জিপিএ- ৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে সে। তার মোট নম্বর ১০৫৭। তার এ সাফল্যে বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠি, এলাকাবাসী সহ সকলেই আনন্দিত ও গর্বিত।
শারীরিক প্রতিবন্ধী এই মানিক রহমান উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের ঔষধ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের ছেলে। তার মা মরিয়ম বেগম উপজেলার রাবাইতারী স্কুল এন্ড কলেজের ইতিহাস বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক। পিতা-মাতার বড় ছেলে মানিক রহমান জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী।
জন্ম থেকেই তার দুটো হাত নেই, একটি পা অন্যটির চেয়ে অনেকাংশে খাটো। কিন্তু পড়াশোনায় কখনও পিছিয়ে যায়নি মানিক।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকলেও পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে সে।
শুধু পা দিয়ে লেখাই নয়, পা দিয়ে মোবাইল চালনো এবং মোবাইলে কথা বলাসহ কম্পিউটার টাইপিং ও ইন্টারনেট ব্যবহারেও পারদর্শী মানিক রহমান।
মানিক রহমান জানায়, সে ঢাকা নটেরডেম কলেজে ভর্তি হতে চায়। এরপর বুয়েটে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চায় সে।
মানিকের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার ছেলে প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে পিএসসি –
জেএসসি’র মতো এসএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএ- ৫ পেয়েছে।
এজন্য আমি গর্ববোধ করছি এবং তার শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ যেন আমার ছেলের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন পুরণ করেন।
মানিকের বাবা মিজানুর রহমান জানান, আমার দুই ছেলের মধ্যে মানিক বড়। জন্ম থেকেই তার দুটো হাত না থাকায় আমরা তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস করিয়েছি। এজন্য আমার স্ত্রী মরিয়ম বেগম অনেক কষ্ট করেছেন।
মানিক পিইসি ও জেএসসিতে ভাল রেজাল্ট করেছে। এসএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে সে সকলের মুখ উজ্জল করেছে। আমি দেশবাসীর কাছে মানিকের জন্য দোয়া চাচ্ছি। সকলের দোয়ায় সে যেন অনেক বড় হতে পারে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!