পশ্চিমবঙ্গে তিস্তায় আরও দুটি খাল খননে ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্বেগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গে তিস্তায় আরও দুটি খাল খননে ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্বেগ

  • মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩

Manual1 Ad Code

সৈয়দ আমিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি :: তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার উজানে তিস্তার পাশে আরো দু’টি খাল কেটে তিস্তার অবশিষ্ট পানি প্রত্যাহারের যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চলেছেন বলে গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তাতে বাংলাদেশ, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মানুষ চরমভাবে উদ্বিগ্ন।

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গতকাল সোমবার (১৩ মার্চ ২০২৩) রাতে পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় তিস্তা অঞ্চলের মানুষের এই উদ্বেগ সম্পর্কে বলা হয় ইতিপূর্বে পশ্চিমবাংলার গজালডোবায় শুকনো মৌসুমে পানি প্রত্যাহার করায় তিস্তা অঞ্চলের মানুষ চরম বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। শুকনো মৌসুমে পানি না পাওয়া ও বর্ষা মৌসুমে পানি ছেড়ে দিয়ে তিস্তা অববাহিকার বাংলাদেশ অঞ্চলে প্লাবন ও ভাঙ্গন সৃষ্টি নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নদী তিস্তার পানি বন্টনের ব্যাপারে বাংলাদেশ ভারত একটি সমঝোতায় উপনীত হলেও পশ্চিম বাংলার মমতা ব্যানার্জী সরকারের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে তা আর স্বাক্ষর হতে পারেনি। তারপর থেকে অদ্যাবধি বার বছর হয়ে গেলেও ভারত সরকার ঐ চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে বারবার আশ্বাস দিয়ে আসলেও তা এখনও স্বাক্ষরিত হয়নি। এই অবস্থায় তিস্তার পাশে দু’টি খাল কেটে আরও পানি প্রত্যাহার করা হলে বাংলাদেশের ‘তিস্তা সেচ প্রকল্প’ পানি সংকটে অকার্যকর হয়ে পরবে না কেবল, তিস্তা অববাহিকায় বাংলাদেশ অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হবে। অন্যদিকে বর্ষায় প্লাবন ও ভাঙন মানুষের দুর্গতিকে আরও চরমে পৌঁছে দেবে।

ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর প্রস্তাবে বলা হয়, পশ্চিমবাংলা সরকারের তিস্তায় আরও দু’টি খাল খননের বিষয় বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অপরদিকে ভারতও এ ব্যাপারে নিশ্চুপ। এই অবস্থায় পার্টি উভয়ের তরফ থেকে বিষয়টি খোলসা করা এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলে তা অবিলম্বে বন্ধ করা এবং তিস্তা চুক্তি সংক্রান্ত ইতিপূর্বেকার সমঝোতাকে অবিলম্বে চুক্তিতে রূপদান ও তার বাস্তবায়নের দাবি জানান হয়।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে চীনের সহায়তায় প্রণীত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন কোন পর্যায়ে আছে তা জানতে চাওয়া হয়।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে এ সম্পর্কে বলা হয় যে ভূ-রাজনৈতিক কারণ এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাঁধা হয়ে থাকলে বাংলাদেশ নিজের উদ্যোগে পদ্মাসেতুর মত এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিতে পারে এবং সেই আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।

Manual1 Ad Code

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে সেই লক্ষ্যে ‘তিস্তা কর্তৃপক্ষ গঠন’, খরাকালে তিস্তার পানি প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের জন্য তিস্তা চুক্তি সম্পাদন এবং বিশেষ করে উত্তরবঙ্গকে মরুকরণ, প্লাবন ও নদী ভাঙ্গণের হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশের নিজ স্বার্থের প্রতি মনোযোগী হয়ে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের আহবান জানান হয়।

Manual3 Ad Code

পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা প্রস্তাবিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, কমরেড ড. সুশান্ত দাস, কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, কমরেড কামরূল আহসান, কমরেড আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, কমরেড অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হক্কানী, কমরেড আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান প্রমুখ।#

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews