প্রবাসী আতিকুর রহমান জানান, আগামী ১০তিনি কর্মস্থলে ফিরে যাবেন। কিন্তু ০১ অক্টোবর সকালে তিনি অ্যাপসে ঢুকে সকল টিকিট শূন্য দেখতে পান। এখন কিভাবে ঢাকা পৌঁছবেন সেই টেনশনে আছেন।
সাউথ ইষ্ট ব্যাংকের অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার সুয়েবুর রহমান সহযাত্রীসহ জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা যাবেন। ব্ল্যাকারের দ্বারস্থ হয়েও কোন লাভ হয়নি। ব্যবসায়ী হারুন আহমদ ডাক্তার দেখাতে ঢাকা যাবেন কালনী এক্সপ্রেসে। ব্ল্যাকারের কাছ থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকার টিকিট কিনেছেন এক হাজার টাকায়।
‘টিকিট যার ভ্রমন তার’ না হওয়ায় জরিমানার আশঙ্কা রয়েছে। টিকিট নিয়ে গোটা সিলেটের মানুষ এখন বিরক্ত। একদিকে অনলাইনে টিকিট মেলেনা। অন্যদিকে ব্ল্যাকারদের কাছ থেকে টিকিট নিয়ে ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে হতে হয় হয়রানির শিকার। এ নিয়ে ট্রেন যাত্রীদের ক্ষোভের শেষ নেই।
অন্যদিকে কালোবাজারিরদের কাছ থেকে টিকিট অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সংগ্রহ করেও প্রতারিত হতে হয়। এক টিকিট এডিটের মাধ্যমে একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রয়। শিশুদের টিকিট এডিট করে প্রাপ্তদের বানিয়ে বিক্রি। যার ফলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে চেকিংয়ে জরিমানা প্রদাণ করতে হয় অনক যাত্রীকে।
কুলাউড়া জংশন স্টেশনের মাস্টার রোমান আহমদ জানান, কুলাউড়া জংশন স্টেশনের মাস্টার রোমান আহমেদ জানান তিনি নিজের প্রয়োজনে একদিন টিকিট কাটতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনিও হতবাক। এটা কি করে সম্ভব? ##