এইবেলা ডেস্ক :: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন বিএনপির কাছে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসন সহ ২১টি আসন চেয়ে বিএনপির কাছে তালিকা দিয়েছে ১২ দলীয় জোট। জাতীয় পার্টি (জাফর) কুলাউড়ায় (মৌলভীবাজার-২) সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খানকে জোটের প্রার্থী চেয়েছে।
তবে মিত্ররা অনেক আসন চাইলেও বিএনপি তা দিতে পারবে না। কারণ এবার বিএনপির নিজেদের প্রার্থী অনেক। মিত্ররা বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত আসন চাইলে নাও পেতে পারেন। আসন ভাগাভাগি নিয়ে মিত্রদের সঙ্গে বিএনপির মতবিরোধ হওয়ারও আশঙ্কা দেখছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর-১ আসন থেকে মনোনয়ন চান জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার। লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন (কুষ্টিয়া-১),
নওয়াব আলী আব্বাস খান (মৌলভীবাজার-২), কাজী মো. নাহিদ (কুমিল্লা-১১), সেলিম মাস্টার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহিউদ্দিন ইকরাম (কুমিল্লা-৬), রশিদ বিন ওয়াক্কাস (যশোর-৫), সৈয়দ তালহা আলম (সুনামগঞ্জ-৩), ন্যাশনাল লেবার পার্টির লায়ন ফারুক রহমান (বরগুনা-২),
কল্যাণ পার্টির (একাংশ) সামসুউদ্দিন পারভেজ (নোয়াখালী-৫), বাংলাদেশ এলডিপির তমিজউদ্দিন টিটু (ঢাকা-৫), এমএ বাশার (ময়মনসিংহ-৮), ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব (সিলেট-৬), অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম (ঢাকা-১২), আমিনুল ইসলাম (পিরোজপুর-২), হাফেজ রশিদ আহমাদ, (সুনামগঞ্জ-১), মাওলানা শেখ শরিফ উদ্দীন খাঁ (সিলেট-৪) রয়েছেন।
মিত্রদের কয়টি আসন ছাড় দেবে বিএনপি তা চলতি মাসেই জানা যাবে। যাদের ছাড় দেবে তাদের বিএনপির হাইকমান্ড থেকে ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর প্রার্থী মনোনয়নের যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
