সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড- ১৪ বছর ধরে কারাগারে নিরপরাধ এনামুল, মুক্তির অপেক্ষায় গোটা পরিবার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় যাতায়াত রাস্তা বন্ধ ও ভূমি দখলের মামলা করায় বাদিকে হুমকি-ধমকি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড- ১৪ বছর ধরে কারাগারে নিরপরাধ এনামুল, মুক্তির অপেক্ষায় গোটা পরিবার কুলাউড়ার একটি চা বাগান থেকে পাইপগান ও চায়না রাইফেলের গুলি উদ্ধার কুলাউড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন সুনামগঞ্জের ৫ আসনেই জাপার জয়লাভ সম্ভব : শামীম পাটোয়ারী আত্রাইয়ে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন  র‌্যাব-৯ এর অভিযানে কমলগঞ্জ থেকে ২টি এয়ারগান উদ্ধার কমলগঞ্জে আনসার ভিডিপি সদস্যের উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান কমলগঞ্জে রত্নগর্ভা মা সম্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা “সবে আমাকে মাফ করি দিও” চিরকুট লিখে তরুণীর আ#ত্ম#হ#ত্যা

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড- ১৪ বছর ধরে কারাগারে নিরপরাধ এনামুল, মুক্তির অপেক্ষায় গোটা পরিবার

  • শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual1 Ad Code

আব্দুর রব ::

সাড়ে ১৪ বছরেও বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকান্ডে নিরাপত্তা প্রহরী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুলের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পায়নি চাঞ্চল্যকর মামলাটির তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ও বাদিপক্ষ।

Manual2 Ad Code

সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ১৩ বছর ধরে কারাবন্দী সাগর-রুনির ফ্ল্যাটের নিরাপত্তাপ্রহরী হুমায়ুন কবীর জেলখানায় এখন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগি। গ্রেফতার, গুম-খুনের আশংকায় পরিবারের কেউ একদিনও তার খোঁজ নেয়নি।

২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর গ্রামের বাড়ি থেকে কালো গাড়িতে র‌্যাব পরিচয়ে তোলে নেওয়া হয় তার বাবা মকবুল আলী কালা মিয়াকে। নিখোঁজের ১৮ দিন পর ১৭ অক্টোবরের দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘সাগর-রুনি হত্যাকা–১৯ দিনেও হুমায়ুনের বাবার খোঁজ মিলেনি’ শিরোনামে সংবাদ ছাপা হলে বিভিন্ন টেলিভিশনে টকশোতে ঝড় উঠে। দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মূখে পরদিন মধ্যরাতে ভৈরবে রাস্তার পাশে তাকে ফেলে যাওয়া হয়। স্বজনরা সিলেট হয়ে তাকে বাড়ি নিয়ে আসেন। অজ্ঞাত স্থানে ২১ দিন তার ওপর চালানো হয় বৈদ্যুতিক শকসহ অমানসিক নির্যাতন। ওই নির্যাতনে শরীরে বাসা বাধে কঠিন রোগ। ছেলের করুণ অবস্থা দেখে মারা যান কালা মিয়ার বৃদ্ধ মা।

নিরাপত্তাপ্রহরী হুমায়ুন কবীর এনামুল মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব-দক্ষিণভাগ গ্রামের মকবুল আলী ওরফে কালা মিয়ার ছেলে।

প্রায় ১৩ বছর কারারুদ্ধ থাকার পর সাগর-রুনি হত্যাকা-ে এনামুলের জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্ত এরই মাঝে কালোগাড়িতে তোলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে ২১ দিন অমানসিক নির্যাতন চালানো হয় তার বাবা মকবুল আলী ওরফে কালা মিয়ার উপর।

সাড়ে ১৩ বছর ধরে চোঁখের জল ফেলছেন মা ফাতেমা বেগম : সম্প্রতি ছেলের মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ার খবর দেখছিলেন ফাতেমা বেগম। খবরটি দেখতে তার চোঁখ বেয়ে গড়িয়ে পড়েছে পানি। কারাগারে থাকা ছেলে হুমায়ুন কবীরের এমন অসহায় অবস্থায় কিছুই করতে পারছেন না মা।

প্রায় সাড়ে ১৩ বছর ধরে ছেলেকে ঘিরেই তার অপেক্ষার প্রহর। দীর্ঘ সময়ে পরিবারে শান্তি বলতে কিছুই নেই। যে ছেলে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে ঢাকায় নিরাপত্তাপ্রহরীর চাকরি নিতে গিয়েছিল, তার জীবনই এখন কেটে যাচ্ছে কারাগারে। ছেলেকে ঘিরে পুরো পরিবারটি হারিয়েছে স্বাভাবিক জীবনযাপন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা। হারিয়েছে বাবা ও দাদীকে।

২০১২ সালের বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারে পুরস্কার ঘোষণার পর সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হন হুমায়ুন কবীর। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত হলেও হত্যাকা-ে তার জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি পিবিআইয়ের (ঢাকা মেট্রো উত্তর) এক তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন এনামুলের মা চান, তার ছেলে যদি এই হত্যাকান্ডে জড়িত না থাকে, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের কারাবাসে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া ছেলের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা ও স্বামীকে তোলে নিয়ে নির্যাতনের পর দীর্ঘ অসুস্থতায় মৃত্যুবরণের ক্ষতিপুরণ। এনামুলের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন নিহত রুনির পরিবারের সদস্যরাও।

Manual1 Ad Code

যেভাবে তোলে নেওয়া হয় বাবাকে : মা ফাতেমা বেগমের ভাষ্যমতে, ছেলেকে গ্রেফতারের আগে তার স্বামী মকবুল আলী কালা মিয়াকেও র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। স্বামীর ওপর নির্যাতন চালানোর কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, তার স্বামীর দক্ষিণভাগ বাজারে ফার্নিচারের দোকান ছিল। ২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সকালবেলা দোকানে যাওয়ার পথে কালো গাড়িতে তোলে নেওয়া হয়। ‘র‌্যাব পরিচয়ে’ তুলে নিয়ে চোঁখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়। ২১ দিন পর গভীর রাতে ভৈরবে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া হয়। যাওয়ার সময় সাথে যে মোবাইল ও নগদ ৮০০ টাকা ছিল তাও সাথে দিয়ে যায়। মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় সেখানকার লোকজন তাকে বাসে তোলে দেন। মোবাইলে খবর দেওয়ার পর ছেলেরা সিলেট কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন। তিনি আরো বলেন, তোলে নেওয়ার পর স্বামীর কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা থানা-পুলিশসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছিলেন। অনেক টাকা-পয়সাও খরচ করেছিলেন। কিন্তু সন্ধান পাননি।
একদিন স্বামীর মুঠোফোন থেকে কল আসে। তিনি এনামুলের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশিত হলে, ২১ দিন পর তাকে ভৈরবে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। হুমকি দেওয়া হয়েছিল বাড়িতে গিয়ে এ বিষয়ে কারও সঙ্গে কথা বললে তাকে আবারও তুলে নেওয়া হবে।

ফাতেমা বলেন, ওই ঘটনার পর তার স্বামী আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি, হার্টের সহ নানা কঠিন রোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়েছেন। চিকিৎসার পেছনে জাগা-জমি বিক্রি করে ৬/৭ লাখ ব্যয় করেছেন। কিন্তু এতেও বাঁচানো যায়নি। চলিত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা গেছেন। ছেলেকে তৎকালীন রাষ্ট্রীয় মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, স্বামী হারিয়েছেন এখন ছেলেও মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। তিনি এই অবিচারে জড়িতদের শাস্তি চান, ক্ষতিপুরণ চান।

Manual4 Ad Code

ভয়ে ছেলের জন্য আইনজীবীও নিযুক্ত করেননি’ : স্বামীর চিকিৎসা, ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকটে পরিবারটি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন এনামুলের মা ফাতেমা বেগম। স্বামীকে ধরে নেওয়ার ও ফেলে যাওয়ার পর তিনিসহ প্রতিটি ছেলে-মেয়ের প্রতিটি মুহুর্ত কেটেছে গ্রেফতার গুম, খুনসহ অজানা আতংকে।

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে যদি দোষী হয়ে থাকে, আমরা তখন তার বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু সাড়ে ১৩ বছরেও আমার ছেলের কোনো অপরাধ পাওয়া গেল না। শুধু সন্দেহের কারণে আমার ছেলে ও আমাদের পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়া হল।’

ফাতেমা বেগমের দাবি, ভয় ও পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এনামুলের জন্য আইনজীবীও নিয়োগ করতে পারেননি। একপর্যায়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, তার ছেলে যদি নির্দোষ হয়ে থাকে, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। অন্তত সাগর-রুনি হত্যায় তার ছেলে জড়িত নয় এই কলঙ্ক থেকে পরিবারটিকে মুক্তি দেওয়া হোক।

‘কারাগারে ভাইটি পাগল হয়ে গেছে, ভয়ে কখনও খোঁজও নেইনি’: এনামুলের বড় ভাই শাহিন আহমদ বলেন, ভাই গ্রেফতারের পর তাদের পরিবার বড়ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে। একদিকে অর্থের অভাব, অন্যদিকে ভয়, সব মিলিয়ে পরিবারের কেউ কখনও ভাইয়ের কাছে (জেলখানায়) যায়নি, খোজ নেয়নি।

শাহিন বলেন, ‘আমাদের বিপদে ফেলা হতে পারে এই ভয়েও আমরা মামলা চালাতে যাইনি। আমার নিরপরাধ বাবাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আজ আমার ভাই কারাগারে পাগল হয়ে গেছে।’
তার দাবি, এনামুল নির্দোষ হলে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

Manual5 Ad Code

তদন্তে পাওয়া যায়নি জড়িত থাকার প্রমাণ : ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ৫৮/এ/২ নম্বর বাসা থেকে সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন।

এনামুল ওই ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। পরে তাকে এই হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

মামলার তদন্তে বিভিন্ন সময় একাধিক সংস্থা দায়িত্ব পালন করেছে। বর্তমানে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত টাস্কফোর্সের আওতায় মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।

পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের সাম্প্রতিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকালে এখন পর্যন্ত এনামুলের বিরুদ্ধে সাগর-রুনি হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আদালতের আদেশের পর গত ২২ এপ্রিল কাশিমপুর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এনাম আহমেদকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি কোনো প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি। অনেক কিছু মনে করতে পারছিলেন না এবং এলোমেলো উত্তর দিচ্ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হয়েছে।

‘এনামুলকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসা দেওয়া হোক’ : এনামুলের মুক্তির দাবিতে এবার কথা বলেছেন নিহত সাংবাদিক রুনির ভাই নওশের আলমও। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হোক। কাউকে যেন কোনো ধরনের হয়রানি করা না হয়।’

নওশের আলম বলেন, ‘আমরা চাই এনামুলকে জামিন দিয়ে মুক্তি দেওয়া হোক। তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।’

১৪ বছরেও শেষ হয়নি তদন্ত: সাগর-রুনি হত্যা মামলায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। চার দিন পর তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি)। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে তদন্তে ব্যর্থতার কথা জানায় ডিবি।

এরপর মামলার তদন্তভার র‌্যাবকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও র‌্যাব প্রতিবেদন দিতে পারেনি। এ সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১১২ বার পেছায়।

পরে মামলাটির তদন্তে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

এদিকে, একযুগের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা এনামুলের পরিবারের জন্য সময়টা কেবল দীর্ঘ হয়েছে। মা ফাতেমা বেগমের চোঁখে সেই অপেক্ষার জল এখনো শুকায়নি।

একসময় পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে ঢাকায় যাওয়া ছেলেটি আজ কারাগারের আলাদা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। আর মা অপেক্ষা করছেন কবে তার ছেলে ফিরবে বাড়ি, কবে সাগর-রুনি হত্যার সন্দেহের ভার থেকে মুক্তি পাবে পরিবার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!