আত্রাইয়ে ক্রেতাশূন্য বাজারে অলস সময় কাটছে দোকানিদের – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন চারুকলার জিয়াউল বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী : রক্তে ভেজা কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে নিয়মিত হেলমেট পরিধানকারি মোটরসাইকেল আরোহীদের সম্মাননা পাওনা পরিশোধের পর কথা কাটাকাটি- বড়লেখায় চা দোকানির রডের আঘাতে টেইলার খুন আত্রাইয়ে অর্ধশতাধিক গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে  উদ্ধারকৃত ২ শিশুর পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

আত্রাইয়ে ক্রেতাশূন্য বাজারে অলস সময় কাটছে দোকানিদের

  • সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

Manual5 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি ::

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে দোকানিদের সাধারণত সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টা দম ফেলানোর ফুরসত থাকে না নিত্যপণ্যের দোকানিদের। তপ্ত দুপুরে অনেক দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকে। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা একটু বিশ্রামের সুযোগ পান। কিন্তু সরকারঘোষিত লকডাউনের চতুর্থ দিনে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বেলা ১০টার দিকেও অনেক দোকানে দেখা নেই ক্রেতার। অন্যান্য দিনগুলোতে এই সময়ে যখন তাদের ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার হয়, আজ সেই সময়ে ক্রেতাদের জন্য চেয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। উপজেলার বেশ কয়েকটি হাট-বাজার ঘুরে এমন ক্রেতাশূন্য অবস্থা দেখা গেছে।

Manual7 Ad Code

কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শুরুর আগে অনেকে বেশি করে বাজার করেছেন। যার ফলে এখন বাজার খোলা থাকলেও অতিরিক্ত বাজার মজুদ করার কারণে এখন আর তাদের বাজারে আসতে হচ্ছে না। আর তাই ক্রেতাশুন্য বাজারে সবজি, মাছ, মাংসের দোকানে অলস সময় কাটছে দোকানিদের।

Manual5 Ad Code

উপজেলার ভবানীপুর মাছবাজারের মাছ বিক্রেতা অসিত হালদার বলেন, লকডাউন ঘোষণার আগে আমাদের বেঁচা-বিক্রি স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণার করার পর এখন মাছ কিনে বিপদে পড়তে হচ্ছে। আমরা বসে থাকি কিন্তু মাছ কেনার মানুষ নাই।

Manual4 Ad Code

ক্রেতা না থাকার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, লকডাউনের ঘোষণা শুনে অনেকে বেশি বেশি করে বাজার করেছে। সবাই মাছ-মাংস কিনে ফ্রিজে রেখেছেন। এখন বাজারে লোক নেই। আগে এই সময়ে অনেক ব্যস্ত সময় কাটতো কিন্তু এখন ক্রেতাই নেই। কেনা দামেও মাছ বিক্রি করতে পারছি না।

Manual6 Ad Code

আনাম সরদার তার দোকানে রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, সিলভারকাপের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। রুই বিক্রি করছেন ২০০ টাকা, কাতল বিক্রি করছেন ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।

আনাম সরদার জানান, আগের চেয়ে মাছ বর্তমানে কম দামে বিক্রি করছেন তিনি। তারপরেও ক্রেতা না থাকার কারণে মাছ বিক্রি করতে পারছেন না তিনি।

এছাড়া এই বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা। ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৬০, লাল কক মুরগি ২০০ এবং সাদা রঙের দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩২০ টাকা করে।

সবজির বাজারও অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, কচুর লতি ৪৫ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, শশা প্রতি কেজি ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু ৩০ টাকা হালি এবং কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা গেছে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews