জুড়ীতে অবৈধ করাতকল বন্ধের এক বছরের মাথায় ফের চালু – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ সাড়ে ৩ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড কমলগঞ্জে এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কুলাউড়ায় জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার

জুড়ীতে অবৈধ করাতকল বন্ধের এক বছরের মাথায় ফের চালু

  • রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

Manual6 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

Manual6 Ad Code

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ কর্তৃক কুলাউড়া-বড়লেখা সওজ রাস্তার মানিকসিংহ বাজারের একটি অবৈধ করাতকল (স-মিল) বন্ধের বছর না ঘুরতেই এর মালিক করাতকলটি ফের চালু করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে বনবিভাগের যোগসাজসে অবৈধ করাতকলটি পুনরায় স্থাপন করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বন কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাধা দেওয়া স্বত্ত্বেও জনৈক লতিফ খা বনবিভাগের অনুমতি না নিয়েই করাতকল স্থাপনের কার্যক্রম চালান। অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে এখন বন আইনে মামলা করা হবে।

জানা গেছে, জুড়ীর হামিদপুর গ্রামের লতিফ খাঁ প্রায় ৭ বছর পূর্বে কুলাউড়া-বড়লেখা সওজ রাস্তার মানিকসিংহ বাজারে বিধিবহির্ভুতভাবে একটি করাতকল স্থাপন করেন। করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা ২০১২ এর (৭) ক ধারা মোতাবেক সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে ১০ কি.মি অভ্যন্তরে করাতকল বা সমিল বসানোর নিয়ম না থাকলেও রহস্যজনকভাবে তিনি মাত্র ৫ কি.মি এর ভেতরে করাতকলটি স্থাপন করে ব্যবসা চালিয়ে যান। করাতকলের লাইসেন্সের আবেদন করলে বিধিবহির্ভুতভাবে স্থাপিত হওয়ায় বনবিভাগ তাকে লাইসেন্স দেয়নি। বনবিভাগের অনুমতি ছাড়াই ২০১৫ সাল থেকে শুধুমাত্র হাইকোর্টের একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সমিলটি চালিয়ে যান। সর্বশেষ ২০১৯ সালের জুন মাসে হাইকোর্টের রিটের মেয়াদ শেষ হয়।

এদিকে করাতকলটি অবৈধ দাবি করে জনস্বার্থে তা বন্ধ করে দেয়ার দাবিতে লুজু খাঁ নামক স্থানীয় বাসিন্দা ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর সিলেট বিভাগীয় বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা (ডিওএফ) বরাবরে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে বনবিভাগ সমিলটির কাগজের সাথে মালিকের ভুমির কাগজের মিল পায়নি। করাতকলটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ভুমিতে স্থাপিত থাকতে প্রমাণ পায়। এরপর বনবিভাগ সমিলটি অবৈধ ঘোষণা করে মালিককে তা বন্ধ করার নির্দেশ দেয়।

প্রায় ১ বছর বন্ধ রাখার পর লতিফ খাঁ বনবিভাগের অনুমতি ছাড়াই অদৃশ্য শক্তির কারণে আগের স্থান থেকে কয়েক গজ পশ্চিমে সরিয়ে করাতকলটি স্থাপন করেন। বনবিভাগের নাকের ডগায় কাগজপত্র ছাড়াই রোববার তিনি করাতকলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

Manual2 Ad Code

এব্যাপারে লতিফ খাঁ জানান, আদালতের রীটের বলেই তিনি সমিল স্থাপন করেছেন। রীটের মেয়াদ প্রায় দুই বছর আগে শেষ হয়েছে, পুনরায় কি বর্ধিত করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২১ সালের কাগজ কেউ দেখাতে পাররে না। আগের কাগজেই এভাবে অসংখ্য সমিল চলছে। এগুলো চললে আমারটা চালাতে অসুবিধা কোথায়।

Manual5 Ad Code

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিওএফ) এসএম সাজ্জাদ হোসেন জানান, লতিফ খাঁর সমিলটি অবৈধ ঘোষণা করে প্রায় ১ বছর আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়। নতুন কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়নি। আদালত থেকেও কোনো কাগজপত্র পাননি। তিনি কিভাবে পুনরায় সমিলটি চালু করলেন খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন।#

Manual5 Ad Code

জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা আলা উদ্দিন জানান, সমিল স্থাপনের কাজ চলাকালে একাধিক বার বাধা দিয়েছেন। কিন্তু লতিফ খাঁ তা মানেনি। অবৈধ ঘোষিত ও বন্ধ করে দেওয়া সমিল পুনরায় চালু করায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে এব্যাপারে বন আইনে মামলা দেয়া হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!