বড়লেখার তালিমপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লন্ডনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ডরেইজিং: ৫০ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙ্গার ট্রলি উল্টে চালক নিহত ১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বড়লেখার তালিমপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান

  • রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১

Manual1 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

‘৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধের রণাঙ্গনে দুঃসাহসী ও বীরত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেও ইউপি নির্বাচনে ৩ বার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেও সফল হতে পারেননি। অবশেষে ৭৮ বছর বয়সে চতুর্থবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারাস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন হাকালুকি হাওরপাড়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান। তিনি তৃতীয় ধাপে গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। তিনিই বড়লেখার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা চেয়ারম্যান। বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান জীবনের শেষ বয়সে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় বড়লেখার সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলে আনন্দের বন্যা বইছে।

Manual8 Ad Code

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান তালিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধে সীমান্তের ওপারে লোহারবন ক্যাম্পে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষক ছিলেন। বারপুঞ্জিতে কোম্পানী কমান্ডারের দায়িত্ব পালন কালিন নিজ গ্রামে পাক-বাহিনী প্রবেশ করে নির্বিচারে আপন দুই চাচাসহ প্রতিবেশি হত্যার খবর পেয়ে আর স্থির থাকতে পারেননি। স্বশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অস্ত্র হাতে ছুটে আসেন গ্রামে। হাকালুকি হাওরে পাঞ্জাবীদের সাথে ঘটিত সম্মুখযুদ্ধে তিনি কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। তার সঠিক নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী অর্ধশতাধিক পাকিস্থানীকে হত্যা করে।

বিয়ানীবাজারের সারপারের সম্মুখযুদ্ধেও তার হাতে অনেক পাঞ্জাবী মেলিটারী নিহত হয়। দেশ স্বাধীনের পর যোগ দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। ১৯৭৫ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মর্মাহত হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান সেচ্ছায় চাকুরি ছেড়ে আওয়ামী লীগে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে নাম লেখান। এলাকায় জনসেবামুলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৮৪, ১৯৯৬ ও ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাননি। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার আশ্বাসে ওই সময় নির্বাচন করেননি। ২০২১ সালে ‘নৌকা’ প্রতীক না পাওয়ায় চতুর্থবার ‘নৌকা’র বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৮ বছর বয়সে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

Manual5 Ad Code

বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান জানান, ২০১৬ সালের নির্বাচনে দলের নেতৃবৃন্দ আশ্বাস দিলেও ২০২১ সালের নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করেছেন। জীবনের শেষ নির্বাচন ‘নৌকা’ নিয়ে করতে না পারার আক্ষেপ থেকেই গেল। আমাকে নির্বাচিত করতে উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবার ও সন্তানরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বৃদ্ধ বয়সে জনগণের এ মূল্যায়নের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করবেন।#

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!