কুলাউড়ায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র- মাথাগুজার ঠাঁই নেই ত্রাণ অপ্রতুল পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৯শত কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ সৌদি আরবের সড়কে প্রাণ গেলো কুলাউড়ার যুবকের কুড়িগ্রামে মাছের উচ্ছিষ্ট আঁশ বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে সুনামগঞ্জ–৫ এলাকাকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করতে চান- কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এমপি মৌলভীবাজার- কুলাউড়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় ১ জন নিহত ওসমানীনগরে নকশী বাংলা’র রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ কমলগঞ্জের `ফাগুয়া’ উৎসবে মাতোয়ারা চা শ্রমিকরা কুলাউড়ায় দোকান ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী ফোরামের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ভারতীয় মহিষ পাচারকারিদের চক্রান্ত- বড়লেখায় মব সৃষ্টি করে বিজিবি সদস্যদের হেনস্থার অপচেষ্টা মৌলভীবাজারে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে এমপি নাসের রহমানের বৈঠক

কুলাউড়ায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র- মাথাগুজার ঠাঁই নেই ত্রাণ অপ্রতুল পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক

  • বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২

Manual2 Ad Code

জেলা প্রশাসকের পরিদর্শণ-

এইবেলা, কুলাউড়া  ::  মাথাগুজার ঠাঁই নেই। সারারাত জেগে কাটাতে হয়। অপ্রতুৃল ত্রাণ। চুৃলো জ¦লে না। বিশুদ্ধ পানির অভাব। কোন স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। বয়ষ্ক আর শিশুরা পার করছেন দুর্বিষহ সময়। তাই আশ্রয় কেন্দ্রে না থেকে আত্মীয় বাড়িতে আশ্রয় নিতে ফিরে যাচ্ছেন আশ্রিতরা। এই চিত্র ২৩ জুন বৃহস্পতিবার কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওর তীরের ভুৃকশিমইল ইউনিয়নের ঘাটের বাজার শেড ঘর বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের।

Manual7 Ad Code

আশ্রয় কেন্দ্রে গত ১৯ জুন থেকে অবস্থান করছেন বৃদ্ধা মায়ারুন বেগম, বৃদ্ধা মরিয়ম বেগম। এই দুই বৃদ্ধা মহিলার সাথে পরিবারের অন্য কোন লোকজন নেই। তাদের ঘরে পানি উঠায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এই আশ্রয় কেন্দ্রে। তাদের মুৃল সমস্যা হলো চুলা জ¦ালাতে পারেন না আশ্রয় কেন্দ্রে। খোলা জায়গায় প্রশ্রাব পায়খানা করতে হয়। তাও আবার অপেক্ষা করতে হয় রাত নামার।

আব্দুর রুফ, কটাই মিয়া জানান, পরিবারের নারী ও শিশুদের ঘুমের ব্যবস্থা করে দিতে তাদের রাত জেগে বসে থাকতে হয়। বাজারের ছোট্র শেড ঘরে ১৫-১৬টি পরিবার বসবাস করা দুষ্কর। তাছাড়া প্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়ে ছেলে নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকাটাও ঝুঁকিপূর্ণ।

Manual4 Ad Code

শুধু ঘাটের বাজার আশ্রয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রই নয় এর পাশে উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের মীর শঙ্কর প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কুলাউড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পৌরসভার ইয়াকুব তাজুল মহিলা কলেজ, রাবেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে জানা যায়, প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে যে ত্রাণ সরকারি বেসরকারিভাবে পেয়েছেন তা দিয়ে একদিন বা দু’দিন চলা যায়। কিন্তু গত ৪-৫ দিন থেকে অবস্থানরতরা খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন।

Manual4 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু জানান, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও হাওর এলাকায় মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারি যে ত্রাণ বরাদ্ধ করা হয়েছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

২৩ জুন বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান কুলাউড়া উপজেলা বিভিন্ন বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত দূর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এসময় কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী ও ভুকশিমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। #

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!