কুলাউড়ায় ৫০ একর আউশ জমিতে বোরো চাষের উদ্যোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পাতাকুঁড়ি সংস্থার বিরুদ্ধে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে বিভ্রান্তিকর হিসাব ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ বড়লেখায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা- গ্রাম আদালত শক্তিশালী করার তাগিদ বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, প্রতিহত করছে বিজিবি নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’র কমিটি গঠন  সিলেট ওসমানী মেডিকেলে সার্টিফিকেট জট : ছাতকে ১০৯ মামলার চার্জশিট আটকে আছে সাংবাদিকতায় বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন আতাউর রহমান কাওছার ছাতকে দ‌ক্ষিন খুরমা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন

কুলাউড়ায় ৫০ একর আউশ জমিতে বোরো চাষের উদ্যোগ

  • সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২

Manual5 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া :: দু’মৌসুম ধান (আউশ ও আমন) ক্ষেতের পর জমিগুলো পতিত থাকে। এবার সেই জমিতে আরেকটি ফসল হবে। আর তা হলো বোরো ফসল। এই ফসল উৎপাদন থেকে কাটা পর্যন্ত সম্পুর্নটাই যন্ত্রের সাহায্যে হবে। ফলে কৃষকরা এই বোরো চাষ নিয়ে ব্যাপক কৌতুহলী। সেই সাথে অধিক মুনাফারও প্রত্যাশী।

Manual1 Ad Code

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গুতগুতি এলাকায় ৫০ একর দু’ফসলা জমিকে বেছে নেযা হয়েছে বোরো চাষের জন্য। কিন্তু এই বোরো চাষ হবে সম্পূর্নটাই যন্ত্রের সাহায্যে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে কৃষিক্ষেত্রকে যান্ত্রিকিকরণই হচ্ছে এর মুল লক্ষ্য। কুলাউড়া উপজেলায় এটি প্রথম উদ্যোগ। এই ৫০ একর জমির চাষাবাদের জন্য ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষককে সম্পৃক্ত করা হবে।

Manual4 Ad Code

২২ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চারা বপনের কাজ শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল মোমেন, প্রেসক্লাব কুলাউড়া সভাপতি আজিজুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি আব্দুল কাদির।

Manual5 Ad Code

কৃষকরা ও কৃষি অফিস জানায়, পানির সুবিধার কথা বিবেচনা করে ফানাই নদীর তীরে কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গুতগুতি এলাকার মাঠকে বেছে নেয়া হয়েছে।

Manual5 Ad Code

কৃষি অফিসার মো. আব্দুল মোমেন জানান, জেলা প্রকৌশলী সোনিয়া শারমিনের তত্ত্বাবধানে বীজতলা প্রস্তুত হচ্ছে। সিড শোয়িং মেশিনের সাহায্যে মাটি ও বীজ মিশ্রিত সাড়ে চার হাজার ট্রেতে চারা উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এরপর রাইছ ট্রান্সপ্লান্টার দিয়ে জমিতে চারা রোপন করা হবে। সবশেষে কম্বাইন্ড হার্বেস্টারের মাধ্যমে ধান কাটা হবে।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুর রহমান খোন্দকার জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোন জমি পতিত থাকবে না, এই কথা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কুলাউড়ার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর সুফল কৃষকরা ভোগ করবে। আগামীতে যাতে দু’ফসলী জমিতে তিন ফসল এবং কোন জমিই পতিত না থাকে সে লক্ষ্যে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews