বড়লেখায় বোরো ধান সংগ্রহে ধ্বস : ৩২ দিনে সংগ্রহ ৪০ মেট্রিক টন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

বড়লেখায় বোরো ধান সংগ্রহে ধ্বস : ৩২ দিনে সংগ্রহ ৪০ মেট্রিক টন

  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

Manual5 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

Manual6 Ad Code

বড়লেখায় বোরোর বাম্পার ফলনেও সরকারী ধান সংগ্রহে ধস নেমেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে এবার ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে প্রশাসনের নানামূখী পদক্ষেপ ও কড়া নজরদারীতে বরাবরের অসাধু সিন্ডিকেটের কোমর ভেঙ্গেছে। এতে ধান সংগ্রহে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। কৃষকের নিকট থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে সরকারীভাবে এবার ৭৪৩ মে. টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। ক্রয় শুরুর ৩২ দিনে ধান সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৪০ মে. টন। কৃষকদের সঠিকভাবে উদ্বুদ্ধ না করলে এবার ধান ক্রয়ের বরাদ্দের অর্থ ফেরৎ যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

Manual5 Ad Code

জানা গেছে, এবার বড়লেখায় বোরোর আবাদ হয় ৪ হাজার ৫৭৫ হেক্টর জমিতে। সবচেয়ে বেশি বোরো ধানের আবাদ হয়েছে হাকালুকি হাওরপাড়ের বর্নি, তালিমপুর ও সুজানগর ইউনিয়নে। শিলাবৃষ্ঠি ও আগাম বন্যা না হওয়ায় প্রায় শতভাগ ধান উঠেছে কৃষকের গোলায়। এবার বোরোর মোট উৎপাদন হয়েছে ২৬ হাজার ২১৫ মেট্টিক টন। সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ৭৪৩ মে. টন ধান ক্রয়ের বরাদ্দ পাওয়া যায়। ধান বিক্রির জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ ১০৩১ জন কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করে ১২ মে লটারীর মাধ্যমে ৭৪৩ জনকে বাছাই করে উপজেলা খাদ্য ও কৃষি বিভাগ।

১৪ মে ধানক্রয় কর্মসুচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ও ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান। প্রতিদিন ১১ মে. টন করে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী সোমবার (১৫ জুন) পর্যন্ত ৩২ দিনে ধান সংগ্রহ হওয়ার কথা ৩৫২ মে. টন। কিন্তু সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৪০ মে. টন। সুত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বোরো ও আমন মৌসুমে খাদ্য গোদামে ধান সরবরাহ করেছে কতিপয় প্রভাবশালীর একটি সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটের ইশারায় খাদ্যগোদামে ধান বিক্রি করতে আসা প্রকৃত কৃষকরা হয়রানীর শিকার হতেন। এতে তারা ধান বিক্রিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। এ সুযোগে আসাধু সিন্ডিকেট কৃষিকার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে গোদামে ধান বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

Manual8 Ad Code

উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ জানান, প্রকৃত কৃষকরা যাতে ধান বিক্রি করতে পারে এজন্য বোরো ধান সংগ্রহে এবার উপজেলা প্রশাসন নানামূখি পদক্ষেপ নিয়ে নজরদারী করছে। খাদ্যগোদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। এবার এ সিন্ডিকেটের কোমর ভাঙ্গায় এবং কৃষকদের সঠিকভাবে উদ্বুদ্ধ না করায় সরকারী ধান সংগ্রহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ জানান, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে। বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষক ধান শুকাতে না পারায় ধান কম আসছে। এছাড়া এবার ধানের বাজারদরও বেশ চড়া হওয়ায় অনেক কৃষক খাদ্য গোদামে বিক্রি না করে ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করছেন।

Manual6 Ad Code

ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, উপজেলা কৃষি ও খাদ্য বিভাগকে নিয়ে তিনি সরকারের ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যাপক সচ্ছতা এনেছেন। প্রয়োজনে বরাদ্দের টাকা ফেরৎ পাঠাবেন তবুও প্রকৃত কৃষক ছাড়া কাউকে ধান সরবরাহ করতে দেয়া হবে না।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews