বড়লেখায় পরিবার হারা সেই চন্দনাকে পূজোর উপহার দিলেন ইউএনও – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ

বড়লেখায় পরিবার হারা সেই চন্দনাকে পূজোর উপহার দিলেন ইউএনও

  • সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০

Manual2 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

Manual1 Ad Code

বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাল্লাথল চা বাগানের ৯ বছরের শিশু চন্দনা বোনার্জী। সেদিন তার চোঁখের সামনে সৎ বাবার দায়ের কোপে মরতে হয়েছে মা আর নানিসহ দুই প্রতিবেশীকে। তবে ভাগ্যক্রমে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায় সে। সবাইকে হারিয়ে নিঃস্ব চন্দনার ঠাঁই হয় শ্রীমঙ্গল সরকারি শিশু পরিবারে। সেই চন্দনাকে সবাই ভুলে গেলেও মনে রেখেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান। তাইতো শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি সব হারানো সেই চন্দনাকে উপহার দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে চন্দনাকে তার কার্যালয়ে এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান দুর্গাপূজার উপহার স্বরূপ নতুন পোষাক তুলে দিলেন।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মঈন উদ্দিন, উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ জুবায়ের লিটন, সাংবাদিক আব্দুর রব, তপন কুমার দাস ও এ.জে লাভলু উপস্থিত ছিলেন।

Manual1 Ad Code

জানা গেছে, গত ১৯ জানুয়ারি ভোরে বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পাল্লাথল চা-বাগানে পারিবারিক কলহ নিয়ে নির্মল কর্মকারের সঙ্গে তার স্ত্রী জলি বোনার্জির ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে সে জলিকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় জলিকে বাঁচাতে তার মা লক্ষী বোনার্জি ও পাশের ঘরের বসন্ত ভৌমিক এবং বসন্তের মেয়ে শিউলী ভৌমিক এগিয়ে এলে নির্মল তাদেরও কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার সময় ঘাতক সৎ বাবার দায়ের কোপ থেকে কোনো মতে বেঁচে যায় চন্দনা বোনার্জী। সে দৌঁড়ে পালিয়ে গিয়ে চিৎকার দিলে আশাপাশের শ্রমিকরা বাড়ি ঘেরাও করেন। নির্মল একে একে সবাইকে শেষ করে ঘরের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্বাবধানে অসহায় চন্দনার ঠাঁই হয় শ্রীমঙ্গল সরকারি শিশু পরিবারে।#

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!