বড়লেখায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্মচারিদের গণছুটিতে সেবা কার্যক্রমে স্থবিরতা, জনভোগান্তি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ইলেক্ট্রিসিয়ানের আ*ত্ম*হত্যা : পলি ক্লিনিকের স্টাফ নার্স কারাগারে বড়লেখায় ১৬ ব্যাংকের প্রকাশ্যে কৃষিঋণ বিতরণ : ৪০ কৃষক পেলেন ৭৫ লাখ টাকার চেক শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখালেন এমপি মাহফুজা সিদ্দিকা অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন চিলমারীর পিআইও অফিসের কর্মচারী কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে স্বাস্থ্য বিষয়ে কমিউনিটি অ্যাকশন প্ল্যানিং সভা মৎস্য সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : এমপি লুনা ছাতক উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন বড়লেখায় জাতীয় মৎস্য পক্ষে র‌্যালি আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান কমলগঞ্জে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘গুড নেইবারস বাংলাদেশ’ সিডিপির নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন কমলগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি সদস্যসহ আটক ২

বড়লেখায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্মচারিদের গণছুটিতে সেবা কার্যক্রমে স্থবিরতা, জনভোগান্তি

  • বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

Manual3 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual5 Ad Code

বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারিদের গণছুটির নামে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। যদিও এই কর্মসূচির শুরুর রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্মচারিদের কাজে যোগদানের নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু কেউ তোয়াক্কা করেনি সেই নির্দেশনা। বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ১০১ কর্মচারির মধ্যে ৮৫ জনই বুধবার বিকেল পর্যন্ত গণছুটির নামে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছে। এতে গ্রাহকদের জরুরি সেবা, লাইন মেরামত, মিটার সংযোগ, বিলিংসহ সব কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক।

Manual1 Ad Code

জানা গেছে, বড়লেখা ও জুড়ীর প্রায় ৮০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবা প্রদানের জন্য পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেলের কার্যালয়ের অধীনে বিলিং, লাইনম্যান, মিটার রিডার সেকশনে ১০১ জন কর্মচারি রয়েছে। বিভিন্ন দাবি দাওয়া আদায়ের নামে সারা দেশের কর্মচারিদের মতো এসব কর্মচারিরাও ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে যায়। এতে পল্লীবিদ্যুৎ বিভাগে বন্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপুর্ণ সেবা সমূহ। চরম ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার গ্রাহক। ওই দিন রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গণছুটির নামে কর্মস্থলে অনুপস্থিত কর্মচারিদের কাজে যোগদানের কড়া নির্দেশ দেয়। কিন্তু আন্দোলনরত কর্মচারি এই নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণছুটিতে থাকা অব্যাহত রেখেছে।

বুধবার বিকেলে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, বিলিং সেকশনসহ অন্যান্য বিভাগে নেই কোনো কর্মচারি। জরুরি সেবা নিতে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভুক্তভোগি গ্রাহকরা ফিরে যাচ্ছেন। ডিজিএম মো. খায়রুল বাকী খান ও এজিএম মো. রুহুল আমিন হাতে গনা কয়েকজন কর্মচারি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিকসহ জরুরি সেবা প্রদানের চেষ্ঠা চাচ্ছেন। এই অফিসের লাইন, বিলিং ও মিটার রিডার সেকশনে ১০১ জন কর্মচারির ৮৫ জনই গণছুটির নামে অনুপস্থিত।

বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির যোনাল অফিসের এজিএম (টেশনিকেল) মো. রুহুল বলেন, এখানে লাইনম্যান, বিলিং ও রিডাম্যানসহ বিভিন্ন সেকশনে মোট ১০১ জন কর্মচারি রয়েছে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত ৮৫ জন কর্মচারি গণছুটির নামে কাজে অনুপস্থিত। তবে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তিনি ও ডিজিএম সাহেব চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে গণছুটিতে থাকা কর্মচারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো নির্দেশনা এখনও পাননি।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!