কুলাউড়ায় মাদ্রাসায় শিক্ষকের দু’দফা বেত্রাঘাতে শিশুশিক্ষার্থী গুরুতর আহত – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটক ২ জুড়ীতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিজিবির খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান মে দিবসের চেতনায় মজুরি বৈষম্যের অবসান হয়নি নারী শ্রমিকদের ছাত‌কে প্রবাসীর পক্ষে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশে দুই দোকানঘর জব্দ কানাডাস্থ জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টোর নির্বাচন : তুহিন-তানবীর-এজাজ পরিষদের পরিচিতি সভা কুলাউড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে স্কুলে পাঠদান হাকালুকিতে তলিয়ে গেছে ধান, ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে বিএনপি নেতা মাছুম রেজা টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল- বড়লেখায় বন্যার আশংকায় প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র বড়লেখা এনসিসি ব্যাংকে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ কুলাউড়ায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

কুলাউড়ায় মাদ্রাসায় শিক্ষকের দু’দফা বেত্রাঘাতে শিশুশিক্ষার্থী গুরুতর আহত

  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

Manual5 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual5 Ad Code

শিক্ষকের দেয়া পড়া না পারায় দু’দফা বেত্রাঘাতে এক শিশু শিক্ষার্থী গুরুতরভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহন করে। ছাত্রের নাম মুঈম মিয়া (১২)। সে কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পীরের বাজার বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়অ জুনিয়র মাদ্রাসার হিফ্জ বিভাগের ছাত্র। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় এ ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিত শিশু ছাত্রের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার হিফ্জ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ শাহীন আহমদ ছাত্র মুঈম মিয়াকে বাড়ির পড়া দিয়েছিলেন। মুঈম শিক্ষকের দেওয়া পড়া শিখে না আসায় শনিবার সকালে প্রথম দফা এলোপাতাড়িভাবে তাকে বেত্রাঘাত করেন। শিক্ষককের বেত্রাঘাত সইতে না পেরে মাদ্রাসা থেকে দৌড়ে বাড়ি চলে যায়। বাড়িতে তার বাবা-মা হুজুরের (শিক্ষকের) বেত্রাঘাত দোয়া স্বরুপ বলে মুঈমে কবুঝিয়ে আবার মাদ্রাসায় পাঠালে শিক্ষক হাফেজ শাহীন আহমদ দ্বিতীয় দফায় তাকে বেত্রাঘাত করলে গুরুতরভাবে আহত হয়। আহত হয়ে বাড়ি ফিরলে শনিবার বিকালেই তাকে দ্রুত কমলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার দুপুরে শিশু মুঈমকে আবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে তার বাবা বাড়িয়ে ফিরিয়ে নেন।

Manual5 Ad Code

শিশু ছাত্র মুঈমের বাবা আব্দুল খালিক বলেন, মাদ্রাসায় পড়া না পারলে ছাত্রকে শাসন করবেন তা ঠিক। তবে এবঅবে অমানবিক কায়দায় শাসন করা ঠিক হয়নি। তিনি এর জন্য সু-বিচার প্রার্থনা করেছেন। বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার সুপার হাফেজ নোমান আহমদ রোববার রাতে মাদ্রাসায় বসে এ ঘটনার বিচার করবেন বলেতাকে জানিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার সুপার নোমান আহমদও এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিকভাবে বসে এর বিচার করে দিবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!