কুলাউড়ায় মাদ্রাসায় শিক্ষকের দু’দফা বেত্রাঘাতে শিশুশিক্ষার্থী গুরুতর আহত – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস ও জুলাই শহীদদের স্মরণে নিসচা’র মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বড়লেখায় ডাবল মার্ডার মামলা : পলাতক ৩ আসামী গ্রেফতার কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা 

কুলাউড়ায় মাদ্রাসায় শিক্ষকের দু’দফা বেত্রাঘাতে শিশুশিক্ষার্থী গুরুতর আহত

  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

শিক্ষকের দেয়া পড়া না পারায় দু’দফা বেত্রাঘাতে এক শিশু শিক্ষার্থী গুরুতরভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহন করে। ছাত্রের নাম মুঈম মিয়া (১২)। সে কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পীরের বাজার বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়অ জুনিয়র মাদ্রাসার হিফ্জ বিভাগের ছাত্র। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় এ ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিত শিশু ছাত্রের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার হিফ্জ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ শাহীন আহমদ ছাত্র মুঈম মিয়াকে বাড়ির পড়া দিয়েছিলেন। মুঈম শিক্ষকের দেওয়া পড়া শিখে না আসায় শনিবার সকালে প্রথম দফা এলোপাতাড়িভাবে তাকে বেত্রাঘাত করেন। শিক্ষককের বেত্রাঘাত সইতে না পেরে মাদ্রাসা থেকে দৌড়ে বাড়ি চলে যায়। বাড়িতে তার বাবা-মা হুজুরের (শিক্ষকের) বেত্রাঘাত দোয়া স্বরুপ বলে মুঈমে কবুঝিয়ে আবার মাদ্রাসায় পাঠালে শিক্ষক হাফেজ শাহীন আহমদ দ্বিতীয় দফায় তাকে বেত্রাঘাত করলে গুরুতরভাবে আহত হয়। আহত হয়ে বাড়ি ফিরলে শনিবার বিকালেই তাকে দ্রুত কমলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার দুপুরে শিশু মুঈমকে আবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে তার বাবা বাড়িয়ে ফিরিয়ে নেন।

Manual1 Ad Code

শিশু ছাত্র মুঈমের বাবা আব্দুল খালিক বলেন, মাদ্রাসায় পড়া না পারলে ছাত্রকে শাসন করবেন তা ঠিক। তবে এবঅবে অমানবিক কায়দায় শাসন করা ঠিক হয়নি। তিনি এর জন্য সু-বিচার প্রার্থনা করেছেন। বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার সুপার হাফেজ নোমান আহমদ রোববার রাতে মাদ্রাসায় বসে এ ঘটনার বিচার করবেন বলেতাকে জানিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

বালিয়া টিলা হুসাইনিয়া কাদরিয়া জালালিয়া সুন্নীয়া জুনিয়র মাদ্রাসার সুপার নোমান আহমদও এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিকভাবে বসে এর বিচার করে দিবেন।#

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!