রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের আসবাবপত্র উদাও! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় শিক্ষকদের উদাসীনতায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত বড়লেখায় কূপে পড়ে শিশুর মৃত্যু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন- ছাতকে দু’ গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়‌নি  আত্রাইয়ে হেরোইন ও অ্যাম্পুলসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বকবির বিচরণ ছিল দৃঢ় : মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল  হাবিব  দুলু কমলগঞ্জে স্বামী-স্ত্রী’র বিরোধ : শিশুকে অপহরণ স্টাইলে তুলে নেয়ার চেষ্টা ছাতকে রশিটান খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত ৪ কমলগঞ্জের শমশেরনগর হাসাপাতালদাতা সদস্যের ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এমবি খ্যাত প্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তার সংবর্ধনা কুলাউড়ায় হাফিজ ছাত্রদের পাগড়ি পরিধান ও এমপিকে সংবর্ধনা

রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের আসবাবপত্র উদাও!

  • বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual7 Ad Code
রাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ের ফার্ণিচেয়ার ও ২টি এসি ও প্রায় ১৫টি সিলিং ফ্যান গায়েব বেশ কিছুদিন থেকে। কে সরিয়েছে এসব কেউই বলতে পারছে না।
Manual2 Ad Code

তবে, সকলেরই ইঙ্গিত উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ চন্দ্র দাসের দিকে। সরকার পতনের পরপরই তিনি এসব মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। এনিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Manual6 Ad Code

উপজেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে উপজেলা র্নিভাচনের পর চেয়ারম্যানের র্নিধারিত কোন কার্যালয় ছিল না। ওই সময় উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় চেয়ারম্যানের বাস ভবনকে কার্যালয় বানানো হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী উপজেলা চেয়াম্যান আছকির খান ওই কার্যালয় ব্যবহার করতে চাননি। তার জন্য কর্মচারীদের বিনোদন কেন্দ্রকে চেয়ারম্যানের কার্যালয় বানানো হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী শাহজাহান খান এতেই অফিস করেন এবং এর আধুনিকায়ন করেন। নতুন ফার্নিচেয়ার ক্রয়, থাই গ্লাস, এসি লাগানো হয়। এদিকে পরিষদের নতুন ৪ তলা ভবন নির্মান করা হলে সেখানে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের কার্যালয় স্থান্তর করা হয়। ভবন নির্মানের পর ওই কার্যালয়ে চেয়ারম্যানদের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে ফার্নিচেয়ার, ২টি এসি ও অন্যান্য মালামাল স্থাপন করা হয়। কিন্তু আওয়ালীগ সরকার ক্ষাতা ছাড়ার পর উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ের এসব মালামাল গায়েব হয়ে গিয়েছে। পরিষদের হলরুমে নতুন ডেকোরেশন করা হলে সেখানের ১৫টিরও বেশি ফ্যান গায়েব করে দেয়া হয়েছে। এনিয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। এতো মাল কোথায় গেল কেউই বলতে পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিষদের একজন অফিস কর্মকর্তা বলেন, আমি আসার পর থেকে চেয়ারম্যান কার্যালয় এভাবেই দেখছি। এখানো কোন ফার্নিচেয়ার নেই। এসিও নেই। হল রুমের ফ্যানগুলোও গায়েব। কেউই বলতে পারছে না কোথায় নেয়া হয়েছে। তবে, সকলেরই ইঙ্গিত উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ চন্দ্র দাসের দিকে। নির্বাহী অফিসারদের আস্থাভাজন হওয়ায় তার ইচ্ছেমতো অফিস স্থান্তর মালামাল ক্রয়সহ সব কিছুই হয়েছে। তাই এগুলো কোথায় গিয়েছে কেউ খেয়াল রাখেনি।

এব্যাপারে রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, ‍‘আমি দায়িত্ব নেয়ার সময় দুইটা রুম যেভাবে ছিল এখনো সেভাইে আছে। ফার্নিচfর ও এসি এবং ফ্যানগুলো কোথায় বা কী হয়েছে আমার জানা নেই। আমি খোজ নিয়ে দেখবো বিষয়টি।#

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!