রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের আসবাবপত্র উদাও! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি: আটক ১ নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ি আটক পরিচয়পত্র আধার কার্ড জব্দ সংবাদ সম্মেলন :: কুলাউড়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি ও  জমি দখলের অভিযোগ জুড়ীতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ : ইউএনও বরাবর আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকায় বজ্রপাত রাজনগরের ৩ বড়শি শিকারির মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ আত্রাইয়ে রেললাইনের পাশে পড়েছিলো লাশ ওসমানীনগরে সংস্কৃতি কেন্দ্রের উদ্যোগে হিজরি নববর্ষ উদযাপন ও আলোচনা 

রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসের আসবাবপত্র উদাও!

  • বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual6 Ad Code
রাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ের ফার্ণিচেয়ার ও ২টি এসি ও প্রায় ১৫টি সিলিং ফ্যান গায়েব বেশ কিছুদিন থেকে। কে সরিয়েছে এসব কেউই বলতে পারছে না।
Manual8 Ad Code

তবে, সকলেরই ইঙ্গিত উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ চন্দ্র দাসের দিকে। সরকার পতনের পরপরই তিনি এসব মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। এনিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Manual6 Ad Code

উপজেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে উপজেলা র্নিভাচনের পর চেয়ারম্যানের র্নিধারিত কোন কার্যালয় ছিল না। ওই সময় উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় চেয়ারম্যানের বাস ভবনকে কার্যালয় বানানো হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ী উপজেলা চেয়াম্যান আছকির খান ওই কার্যালয় ব্যবহার করতে চাননি। তার জন্য কর্মচারীদের বিনোদন কেন্দ্রকে চেয়ারম্যানের কার্যালয় বানানো হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী শাহজাহান খান এতেই অফিস করেন এবং এর আধুনিকায়ন করেন। নতুন ফার্নিচেয়ার ক্রয়, থাই গ্লাস, এসি লাগানো হয়। এদিকে পরিষদের নতুন ৪ তলা ভবন নির্মান করা হলে সেখানে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের কার্যালয় স্থান্তর করা হয়। ভবন নির্মানের পর ওই কার্যালয়ে চেয়ারম্যানদের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে ফার্নিচেয়ার, ২টি এসি ও অন্যান্য মালামাল স্থাপন করা হয়। কিন্তু আওয়ালীগ সরকার ক্ষাতা ছাড়ার পর উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ের এসব মালামাল গায়েব হয়ে গিয়েছে। পরিষদের হলরুমে নতুন ডেকোরেশন করা হলে সেখানের ১৫টিরও বেশি ফ্যান গায়েব করে দেয়া হয়েছে। এনিয়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। এতো মাল কোথায় গেল কেউই বলতে পারছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিষদের একজন অফিস কর্মকর্তা বলেন, আমি আসার পর থেকে চেয়ারম্যান কার্যালয় এভাবেই দেখছি। এখানো কোন ফার্নিচেয়ার নেই। এসিও নেই। হল রুমের ফ্যানগুলোও গায়েব। কেউই বলতে পারছে না কোথায় নেয়া হয়েছে। তবে, সকলেরই ইঙ্গিত উপজেলা পরিষদের সিএ অনুপ চন্দ্র দাসের দিকে। নির্বাহী অফিসারদের আস্থাভাজন হওয়ায় তার ইচ্ছেমতো অফিস স্থান্তর মালামাল ক্রয়সহ সব কিছুই হয়েছে। তাই এগুলো কোথায় গিয়েছে কেউ খেয়াল রাখেনি।

Manual7 Ad Code

এব্যাপারে রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, ‍‘আমি দায়িত্ব নেয়ার সময় দুইটা রুম যেভাবে ছিল এখনো সেভাইে আছে। ফার্নিচfর ও এসি এবং ফ্যানগুলো কোথায় বা কী হয়েছে আমার জানা নেই। আমি খোজ নিয়ে দেখবো বিষয়টি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!