বড়লেখা ফ্যামিলি প্ল্যানিং অফিসের বারান্দায় বস্তাভর্তি স্বাস্থ্য কার্ড! দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কুলাউড়ায় জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার নাগেশ্বরীর একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতপরিচয়  যুবকের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার- শওকতুল ইসলাম এমপি বড়লেখায় ভারতীয় মহিষকান্ডে ভুয়া রশিদদাতা ইজারাদারসহ ৩ জনের নামে বিজিবির মামলা আত্রাইয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আত্রাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাছিম উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি এবং রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ায় কুড়িগ্রামে আনন্দ মিছিল ৩২ টিমের অংশগ্রহণে ইংরেজি ভাষায় সৃজনশীলতার চর্চা ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে উদযাপন করল এসআইইউ বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযান- বড়লেখায় রশিদ জালিয়াতি করেও পার পায়নি চোরাকারবারি, অবশেষে ভারতীয় মহিষ উদ্ধার

বড়লেখা ফ্যামিলি প্ল্যানিং অফিসের বারান্দায় বস্তাভর্তি স্বাস্থ্য কার্ড! দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

  • বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

Manual3 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual5 Ad Code

বড়লেখা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপকারভোগিদের হাজার হাজার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ড বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দীর্ঘ ৭ বছরেও কার্ডগুলি পৌঁছেনি সুবিধাভোগীদের হাতে। এতে বিভিন্ন মহলে চরমক্ষোভ ও তোলপাড় চলছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সরকারের লাখ লাখ টাকা অপচয় ও দায়িত্বে অবহেলার। পর্যবেক্ষণে দেখা যায় কার্ডগুলো প্রদানের তারিখ কোনোটিতে ২০১৩ সাল ও কোনোটি ২০১৯ সালের উল্লেখ রয়েছে। সরকারি দপ্তরের এমন উদাসীনতায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

Manual6 Ad Code

জানা গেছে, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণকারি নারি ও পুরুষের সরকারি ভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর নাম ঠিকানা ও গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সম্বলিত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ড তৈরী করে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসে পাঠিয়ে দেয়। মাঠকর্মীরা কার্ডগুলো উপকারভোগিদের হাতে পৌছে দেওয়ার কথা। ওই কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগিদের বিভিন্ন মেয়াদে সরকারিভাবে পরিবার পরিকল্পনা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু সরকারি লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে অধিদপ্তরের তৈরী ও পাঠানো হাজার হাজার স্বাস্থ্য কার্ড উপকারভোগিদের হাতে না পৌছে বছরের পর বছর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ষ্টোররুমে বস্তাবন্দি করে রাখা হয়েছে। এতে ভেস্তে গেছে সরকারের আসল উদ্দেশ্য।

Manual1 Ad Code

মঙ্গলবার রাতে হাসপাতাল আগত রোগিদের স্বজনরা তালাবদ্ধ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বারান্দায় একটি ভরা বস্তা ফেলে রাখা দেখে কৌতুহলী হয়ে ওঠেন। এগিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পান ভিন্ন ভিন্ন নারি-পুরুষের নাম-ঠিকানা লেখা লেমিনেটেড স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ডে ভর্তি বস্তাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এতে অন্তত ২০ হাজার উপকারভোগির কার্ড রয়েছে। যা কয়েক বছর আগেই উপকারভোগিদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তারা প্রশ্ন তোলেন সরকারের লাখ লাখ টাকায় তৈরী স্বাস্থ্য কার্ডগুলো কার অবহেলায় উপকারভোগিদের হাতে পৌঁছেনি এবং উপকারভোগিরা সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হল কিনা, তদন্ত করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।

Manual5 Ad Code

এব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সীমা সিদ্দিকা জানান, তিনি ২০২৪ সালে এখানে যোগদান করেন। যোগাদানের পরই স্টোরে পূর্ব থেকে এই কার্ডগুলি সংরক্ষিত দেখতে পান। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সেবাগ্রহিতার তথ্য রেজিস্টার খাতায় বারবার লিপিবদ্ধ যাতে করতে না হয় এবং ট্যাবের মাধ্যমে যাতে সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় সে উদ্দেশ্যে কার্ডগুলো তৈরিকৃত ছিল। কিন্তু কার্ডগুলো ত্রুটিপূর্ণ থাকায় সেসময় বিতরন করা হয়নি। মঙ্গলবার অফিস ও ষ্টোররুমে পরিচ্ছন্নতাকালে এই কার্ডগুলো সাময়িক সময়ের জন্য বারান্দায় রাখা হয়। পরে তা ষ্টোররুমে পুনরায় সংরক্ষণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!