বড়লেখা ফ্যামিলি প্ল্যানিং অফিসের বারান্দায় বস্তাভর্তি স্বাস্থ্য কার্ড! দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন কমলগঞ্জের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতির আগেই মারা গেলেন জয়গুন নাহার খানম কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার

বড়লেখা ফ্যামিলি প্ল্যানিং অফিসের বারান্দায় বস্তাভর্তি স্বাস্থ্য কার্ড! দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

  • বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

Manual8 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual7 Ad Code

বড়লেখা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপকারভোগিদের হাজার হাজার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ড বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দীর্ঘ ৭ বছরেও কার্ডগুলি পৌঁছেনি সুবিধাভোগীদের হাতে। এতে বিভিন্ন মহলে চরমক্ষোভ ও তোলপাড় চলছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সরকারের লাখ লাখ টাকা অপচয় ও দায়িত্বে অবহেলার। পর্যবেক্ষণে দেখা যায় কার্ডগুলো প্রদানের তারিখ কোনোটিতে ২০১৩ সাল ও কোনোটি ২০১৯ সালের উল্লেখ রয়েছে। সরকারি দপ্তরের এমন উদাসীনতায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

Manual2 Ad Code

জানা গেছে, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণকারি নারি ও পুরুষের সরকারি ভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর নাম ঠিকানা ও গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সম্বলিত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ড তৈরী করে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসে পাঠিয়ে দেয়। মাঠকর্মীরা কার্ডগুলো উপকারভোগিদের হাতে পৌছে দেওয়ার কথা। ওই কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগিদের বিভিন্ন মেয়াদে সরকারিভাবে পরিবার পরিকল্পনা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। কিন্তু সরকারি লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে অধিদপ্তরের তৈরী ও পাঠানো হাজার হাজার স্বাস্থ্য কার্ড উপকারভোগিদের হাতে না পৌছে বছরের পর বছর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ষ্টোররুমে বস্তাবন্দি করে রাখা হয়েছে। এতে ভেস্তে গেছে সরকারের আসল উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার রাতে হাসপাতাল আগত রোগিদের স্বজনরা তালাবদ্ধ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বারান্দায় একটি ভরা বস্তা ফেলে রাখা দেখে কৌতুহলী হয়ে ওঠেন। এগিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পান ভিন্ন ভিন্ন নারি-পুরুষের নাম-ঠিকানা লেখা লেমিনেটেড স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্ডে ভর্তি বস্তাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এতে অন্তত ২০ হাজার উপকারভোগির কার্ড রয়েছে। যা কয়েক বছর আগেই উপকারভোগিদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তারা প্রশ্ন তোলেন সরকারের লাখ লাখ টাকায় তৈরী স্বাস্থ্য কার্ডগুলো কার অবহেলায় উপকারভোগিদের হাতে পৌঁছেনি এবং উপকারভোগিরা সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হল কিনা, তদন্ত করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।

Manual7 Ad Code

Manual2 Ad Code

এব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সীমা সিদ্দিকা জানান, তিনি ২০২৪ সালে এখানে যোগদান করেন। যোগাদানের পরই স্টোরে পূর্ব থেকে এই কার্ডগুলি সংরক্ষিত দেখতে পান। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সেবাগ্রহিতার তথ্য রেজিস্টার খাতায় বারবার লিপিবদ্ধ যাতে করতে না হয় এবং ট্যাবের মাধ্যমে যাতে সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় সে উদ্দেশ্যে কার্ডগুলো তৈরিকৃত ছিল। কিন্তু কার্ডগুলো ত্রুটিপূর্ণ থাকায় সেসময় বিতরন করা হয়নি। মঙ্গলবার অফিস ও ষ্টোররুমে পরিচ্ছন্নতাকালে এই কার্ডগুলো সাময়িক সময়ের জন্য বারান্দায় রাখা হয়। পরে তা ষ্টোররুমে পুনরায় সংরক্ষণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews