বড়লেখা প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার বিগত ১৫-১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তার পেছনে একটাই কারণ ছিল এই জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া। সেই লক্ষ্য নিয়ে ষড়যন্ত্র করে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার সব কিছুই করা হয়েছে। এই বিষয়টাকে বিবেচনায় রেখে শিক্ষার মানোন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনেক কনসার্নড এব্যাপারে। তিনি শিক্ষাকে কিভাবে কোয়ালিটি এডুকেশনে রূপান্তরিত করা যায়, বিশেষ করে প্রাইমারি ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। এব্যাপারে সরকারকে সহযোগিতায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ সমাজের প্রতিটি স্তরের লোকজনকে এগিয়ে আসতে হবে।

নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু এমপি রোববার সকালে বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয় আর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তোমরা মাধ্যমিক স্তর পেরিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্পন করেছে, আজকের দিনটি তোমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। লেখাপড়া করে শুধু ভাল ফলাফল করলেই ভাল ছাত্র হওয়া যায় না। তোমাদেরকে নৈতিক শিক্ষায়ও শিক্ষিত হতে হবে, ভাল মানুষ হয়ে গড়ে ওঠতে হবে। আগামিতে এই দেশকে তোমাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে।’
অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে প্রভাষক জসিম উদ্দিন ও প্রভাষক সাদিয়া নাঈমা হোসনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত নবীনবরণের আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রভাষক বিধান চন্দ্র দাশ, থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান, প্রভাষক হৃষিকেশ দাশ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নছিব আলী, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, পৌর বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি দেওয়ান আইনুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহŸায়ক আরিফুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদলের আহŸায়ক শাহরিয়ার আক্তার ফাহিম, কলেজ শিক্ষার্থী তানভীর আহমদ, শামীমুল ইসলাম, কিবরিয়া আহমদ, সালাহ উদ্দিন শুভ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু এমপির সম্মানে কলেজে মাস্টার্স কোর্স চালু, অনার্সের বিষয় বৃদ্ধি, অডিটোরিয়াম নির্মাণ, খেলার মাঠ সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবি তোলে ধরে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র পাঠ ও প্রদান করা হয়।