কুড়িগ্রামে মৃত নারীকে জীবিত দেখিয়ে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগ : সাব-রেজিস্ট্রার কারাগারে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন চারুকলার জিয়াউল বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী : রক্তে ভেজা কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে নিয়মিত হেলমেট পরিধানকারি মোটরসাইকেল আরোহীদের সম্মাননা পাওনা পরিশোধের পর কথা কাটাকাটি- বড়লেখায় চা দোকানির রডের আঘাতে টেইলার খুন আত্রাইয়ে অর্ধশতাধিক গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে  উদ্ধারকৃত ২ শিশুর পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

কুড়িগ্রামে মৃত নারীকে জীবিত দেখিয়ে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগ : সাব-রেজিস্ট্রার কারাগারে

  • সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১

Manual1 Ad Code
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ::
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে মৃত নারীকে জীবিত দেখিয়ে অন্যের নামে দলিল করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ দু’জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
রোববার  ১০ অক্টোবর দুপুরে মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে কুড়িগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) প্রদীপ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- নজরুল ইসলাম (৫৭) ও জহুরা খাতুন (৬০)। নজরুল রাজীবপুর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার এবং জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙা গ্রামের মৃত আবদুস সালামের ছেলে। জহুরা রাজীবপুর উপজেলার বদরপুর গ্রামের মজিবর রহমান খাজার স্ত্রী।
এর আগে আদালতে রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ রাজীবপুর থানায় আবদুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি এ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের নহর শেখের স্ত্রী ও মামলার বাদী আবদুল করিমের দাদি দৌলতন নেছা ৩৫ বছর আগে মারা যান।
এরপর তার নামে থাকা ৫৪ শতাংশ জমি তার ওয়ারিশরা ভোগদখল করে আসছিলেন। কিন্তু উপজেলার গোল্ডেন লাইফ একাডেমি নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইসমাঈল হোসেন তার মা জহুরা খাতুনকে দৌলতন নেছা সাজিয়ে দলিল লেখক নুরুন্নবী সরকারসহ কয়েকজনের সহযোগিতায় ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি জমিটির ৫০ শতাংশ গোল্ডেন লাইফ একাডেমির নামে দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি করেন।
সাব-রেজিস্ট্রার নজরুল ইসলাম সঠিকভাবে যাচাই না করেই জহুরা খাতুনকে দৌলতন নেছা হিসেবে জীবিত দেখিয়ে দলিল সম্পাদন করেন। এরপর একই বছর ৭ ফেব্রুয়ারি গোল্ডেন লাইফ একাডেমির পরিচালক ইসমাঈল হোসেন জমিটি দখল নিতে গেলে বাদী আবদুল করিম বাধা দেন। তখন  ইসমাঈল হোসেন জাল দলিলটি প্রদর্শন করলে আবদুল করিম বিষয়টি জানতে পেরে আদালতের শরণাপন্ন হন।
আদালত বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে রাজীবপুর থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ হেড কোয়ার্টারের নির্দেশে সিআইডিকে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। সিআইডি মামলাটি তদন্ত করে সাব-রেজিস্ট্রার নজরুল ইসলাম, দলিল লেখক নুরুন্নবী সরকার, মৃত দৌলতন নেছা হিসেবে পরিচয় দানকারী জহুরা খাতুন ও  গোল্ডেন লাইফ একাডেমির পরিচালক ইসমাঈল হোসেনসহ সাত জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
জিআরও প্রদীপ রায় জানান, আসামিরা এতদিন অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। রোববার  তারা আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর আসামিরা এখনও জামিনে রয়েছেন বলে জানান জিআরও।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews