জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় আটকে আছে কুলাউড়ার রাজাপুর সেতুসহ শত কোটি টাকার প্রকল্প – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লন্ডনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ডরেইজিং: ৫০ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙ্গার ট্রলি উল্টে চালক নিহত ১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় আটকে আছে কুলাউড়ার রাজাপুর সেতুসহ শত কোটি টাকার প্রকল্প

  • বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২

Manual3 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া-শরীফপুর সড়কে মনু নদের ওপরে শতকোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত সেতুর দুপাশে বাঁশের মই স্থাপন করেছেন স্থানীয়রা।

এ সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ৯৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। বছরখানেক আগে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতার কারণে দুপাশের সংযোগসড়ক এখনো তৈরি হয়নি।

এ অবস্থায় উঁচু সেতুর দুপাশে মই স্থাপন করে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়েই এ মই বেয়ে সেতু পার হন সেখানকার হাজার হাজার মানুষ।

জানা গেছে, উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় মনু নদের পাড়ে একটি খেয়াঘাট ছিল। নদের বিপরীত পাশে পড়েছে হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা।

রাজাপুরের খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নৌকায় নদ পার হয়ে পৃথিমপাশাসহ উপজেলা সদরে বিভিন্ন কাজে আসা-যাওয়া করতেন এসব এলাকার লোকজন। এতে দীর্ঘদিন তারা দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন।

এলাকাবাসীর দাবিতে অবশেষে এ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সওজ অধিদপ্তর। ২০২১ সালের জুনের দিকে নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যায় সেতুটির। পরে সেতুর দুই পাশে সাড়ে সাত কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

চলতি বছর এপ্রিল মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। সওজ অধিদপ্তরের কুলাউড়া সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজটি জেলা প্রশাসন থেকে করা হয়। জমি বুঝে পেলেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করবে।

মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন জানান, নদীশাসন ও জমি অধিগ্রহণসহ পুরো প্রকল্পটিতে মোট ব্যয় হচ্ছে ৯৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সেতুটি সচল করতে জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আমরা বুধবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ডেকেছি। আশা করি সুরাহা হলে আমরা তা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া-শরীফপুর সড়কে মনু নদের ওপরে শতকোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত সেতুর দুপাশে বাঁশের মই স্থাপন করেছেন স্থানীয়রা।

এ সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ৯৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। বছরখানেক আগে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতার কারণে দুপাশের সংযোগসড়ক এখনো তৈরি হয়নি।

এ অবস্থায় উঁচু সেতুর দুপাশে মই স্থাপন করে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়েই এ মই বেয়ে সেতু পার হন সেখানকার হাজার হাজার মানুষ।

জানা গেছে, উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় মনু নদের পাড়ে একটি খেয়াঘাট ছিল। নদের বিপরীত পাশে পড়েছে হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা।

Manual2 Ad Code

রাজাপুরের খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নৌকায় নদ পার হয়ে পৃথিমপাশাসহ উপজেলা সদরে বিভিন্ন কাজে আসা-যাওয়া করতেন এসব এলাকার লোকজন। এতে দীর্ঘদিন তারা দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন।

এলাকাবাসীর দাবিতে অবশেষে এ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সওজ অধিদপ্তর। ২০২১ সালের জুনের দিকে নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যায় সেতুটির। পরে সেতুর দুই পাশে সাড়ে সাত কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

Manual5 Ad Code

চলতি বছর এপ্রিল মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। সওজ অধিদপ্তরের কুলাউড়া সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজটি জেলা প্রশাসন থেকে করা হয়। জমি বুঝে পেলেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করবে।

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন জানান, নদীশাসন ও জমি অধিগ্রহণসহ পুরো প্রকল্পটিতে মোট ব্যয় হচ্ছে ৯৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সেতুটি সচল করতে জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আমরা বুধবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ডেকেছি। আশা করি সুরাহা হলে আমরা তা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।#

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!