বিলুপ্ত প্রায় পিটুয়া – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত : আটক ১ বড়লেখায় মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন : দেড় বছরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ৭ বছর পার! বড়লেখায় কেএসকেপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি তোফায়েল, সম্পাদক মুর্শেদ আলম

বিলুপ্ত প্রায় পিটুয়া

  • মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

Manual1 Ad Code

রতি কান্ত রায়, কুড়িগ্রাম :: গ্রামবাংলায় গরম আর বর্ষার মাহেন্দ্রক্ষণে বড় ভরসার সাথী। এর আঞ্চলিক নাম পিটুয়া। গ্রামবাংলায় পিটুয়া বললে চেনে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ছাতার বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হত এই পিটুয়া।

গনগনে রোদ আর তার পরে ঝরঝর বারিধারার এই মৌসুমে দেওর-বউদি-ভাশুর-ভাদ্দরপো নির্বিশেষে সকলে ফের পিটুয়াধর বনে গিয়েছেন কেনাকাটা থেকে ফুটপাথ সর্বত্র।

Manual7 Ad Code

পিটুয়া তৈরি করা হয় মুলত বাঁশ আর পলিথিন বা পলাশ গাছের পাতা দিয়ে।

গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতে পিটুয়ার প্রচলন ছিল। গ্রামবাংলার আবাল -থেকে বৃদ্ধা সবাই ব্যবহার করতো, বিশেষ করে বর্ষার দিনে।

প্রতিটি ঘরে কম্পক্ষে২/৪ করে পিটুয়া থাকতো।আর এখন পিটুয়ার কথা বললে অনেকে জানে না। বলে এটা আবার কি জিনিস ? ” জিনিয়া বাবাকে ডেকে বলে বাবা ছাতা না হলে আমি পড়তে যাব না। বাবা বলে টেহা নাই ছাতা কিনুম কেমনেরে মা,ঘরে পিটুয়া আছে নিয়া যা”।

Manual7 Ad Code

বিজ্ঞানের কল্যাণে ঐতিহ্যবাহী পিটুয়ার যুগ এখন শেষের পথে। সেই স্থান দখল করে নিয়েছে আধুনিক ছাতা আর রেইনকোর্ট।

Manual1 Ad Code

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবের বাজারে(শাহবাজার) মো:
মফিজুল ইসলাম (৩০) পিটুয়া মাথায় দিয়ে বাজার করতে আসেন। বাজার করার ফাঁকে তার সঙ্গে কথা হয়।

এসময় পিটুয়া ব্যবহারের বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- বাপ- দাদার আমল থেকে আমারা পিটুয়া ব্যবহার করে আসছি।
তিনি আরও জানান অনেকটা শখের বসে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কিন্তু বর্তমানে অনেকে ব্যবহার করেন না এর কারণটা হচ্ছে পিটুয়া মাথায় দিলে বেমানান দেখা য়ায়। এভাবে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পিটুয়া।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews