বড়লেখায় ‘সাজানো মামলা’ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন কমলগঞ্জের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতির আগেই মারা গেলেন জয়গুন নাহার খানম কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার

বড়লেখায় ‘সাজানো মামলা’ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

  • সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

Manual7 Ad Code

এইবেলা রিপোর্ট:: বড়লেখায় ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিরীহ পরিবারের লোকজনের উপর ‘সাজানো মামলা’ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গ্রেফতার ও হয়রানির ভয়ে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের উত্তর সুজানগর (শাখারিবাড়ি) এলাকায়। হয়রানিমূলক ‘সাজানো’ মামলা থেকে রেহাই পেতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের উত্তর সুজানগর (শাখারিবাড়ি) এলাকার আমিনুল ইসলাম উনু মিয়া ও আজমল হোসেনের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষে একাধিক মামলাও চলছে। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর আজমল হোসেনের ছেলে সালমান আহমদ বাদী হয়ে বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিপক্ষের আমিনুল ইসলাম উনু মিয়াকে ১ নম্বর আসামি করে তার (উনু মিয়ার) পরিবারের ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে থানার ওসি মামলাটি রেকর্ড করেন।

Manual5 Ad Code

মামলার এ ঘটনা জানাজানি হলে বিস্মিত হন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয়দের দাবি এদিন মারামারির কোনো ঘটনাই ঘটেনি। শুধুমাত্র পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে সায়েস্তা করতে এ ‘সাজানো’ মামলা করেছেন সালমান আহমদ।

Manual6 Ad Code

ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম উনু মিয়ার পরিবারের সদস্যরা বলেন, ‘যে তারিখে মারামারির উল্লেখ করে মামলা করেছেন সালমান; এইদিন আমাদের পরিবারের এক সদস্যের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল মৌলভীবাজারে। বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে আমরা সবাই ব্যস্ত ছিলাম। পরে আমরা সকলে বর’কে নিয়ে মৌলভীবাজারে বিয়েতে চলে যাই। বিয়ে থেকে ফিরে জানতে পারি আমাদের পরিবারের ৭ জনের নামে মারামারির মামলা হয়েছে। তখন আতঙ্কে যাদের নামে মামলা হয়েছে তারা সবাই বাড়ি থেকে চলে যান। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য সালমান ও তার পরিবারের লোকজন ‘সাজানো’ মারামারির মামলা করেছেন। এলাকার সকলেই জানেন, এদিন এরকম মারামারি কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’

Manual4 Ad Code

সুজানগর ইউনিয়নের বাবনের চক গ্রামের বাসিন্দা নাসরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মরলে আমার ‘কবরে’ অন্য কেউ যাবে না। আমাকে একলা-ই যেতে হবে। এ জন্য সত্য ঘটনাটা বলতেছি। আমি সরেজমিনে ঘটনাস্থলে ছিলাম। সকালে বিয়ের গাড়ি রাস্তায় রাখা নিয়ে সালমানের পরিবারের লোকজন প্রথমে আপত্তি জানায়। আপত্তি নিয়ে উভয় পক্ষের দুই-একজনের মধ্যে দূর থেকে কথা-কাটাকাটি হয়। ঘটনা এ পর্যন্তই। কোনো ধরনের মারামারি ঘটনা ঘটেনি। পরে উনু মিয়ার পরিবারের লোকজন বর নিয়ে বিয়েতে চলে যান। একদিন পর শুনি মারামারির মামলা হয়েছে। এতে দুইজনের নাকি রক্তাক্ত জখমও হয়েছে!’

ঘটনা জানতে পৃথকভাবে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বাছিত, হুসাইন আহমদ, জাকির, আহাদ মিয়া, ইমনের সাথে। তারা বলেন, ‘যে ঘটনার তারিখে মামলা হয়েছে, এদিন উনু মিয়ার বাড়ির একজনের (পাত্র) বিয়ে ছিল। আমরা সকলেই তাদের প্রতিবেশী (বাদী ও আসামির)। সকালে বিয়ের গাড়ি রাস্তায় রাখা নিয়ে শুধুমাত্র কথা-কাটাকাটি হয়েছে দুজনের মধ্যে। এ সময়টা আনুমানিক সকাল ৯টা হবে। আমরা পাশেই আগর কাঠের কাজ করছিলাম। মারামারির কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মারামারি ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিরোধের জেরে কথিত মারামারির ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাজানো।’

এ ব্যাপারে জানতে মামলার বাদী সালমান আহমদ সঙ্গে (২৩) মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বড়লেখা থানার এসআই সুব্রত চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews