কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার কমলগঞ্জের পালিতকোনা পূজামন্ডপে গুণীজন সংবর্ধনা ছাতকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শণ করলেন সুনামগঞ্জ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ জুড়ী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ কমলগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা 

  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

Manual1 Ad Code
এইবেলা, কুলাউড়া ::
 মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ওলামা লীগের নেতা সেফুল সিদ্দেকী ইউনিয়ন পরিশদের নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা অপতৎপরতা ও রাজনতিক কর্মকান্ড শুরু করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিগত ১৫ বছর ওলামা লীগের নেতা সেফুল সিদ্দেকী ও তার তিন ভাইয়ের তাণ্ডব ও রাজনৈতিক জালিয়াতি স্থানীয় জনগণকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও ভাটেরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম সিদ্দেকী নানু এবং তার ভাই ভাটেরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এখলাছ সিদ্দেকীকে ব্যবহার করে তৎকালীন আওয়ামী সরকার পুরো এলাকায় নিজস্ব ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ক্ষমতার দাপট ও স্থানীয় প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোট ডাকাতি, ভুয়া মামলা দিয়ে বিরোধী মত দমন এবং দুর্নীতি ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।
এই সেফুল সিদ্দিক ও তার তিন ভাইয়ের  রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও চক্রান্তের অন্যতম বড় প্রমাণ মেলে ২০১৮ সালের বিতর্কিত ও নিশিরাতের জাতীয় নির্বাচনের সময়। তৎকালীন নির্বাচনে সুবিধা হাসিল করা এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে নানু সিদ্দেকী নিজেই ভাটেরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। এরপর সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর বানোয়াট মামলা দায়ের করেন। উক্ত সাজানো মামলায় বিএনপি নেতা সৈয়দ রনি হাসান সালামকে প্রধান আসামি এবং স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুল হামিদ খানসহ বিরোধী দলের বহু নিরপরাধ নেতাকর্মীকে আসামি করে এলাকাছাড়া করা হয়। এভাবে ফ্যাসিবাদের হাতকে শক্তিশালী করতে তারা নিজের কার্যালয় নিজেই পুড়িয়ে মিথ্যা মামলার ঢাল তৈরি করে সাধারণ ও বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন চালায়।
বর্তমানে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটলেও থেমে নেই সেফুল সিদ্দেকী ও তার ভাইদের পেছনের কারিগর ও ষড়যন্ত্রকারীরা। আমেরিকা প্রবাসী ও বিতর্কিত উলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক, তাদের বড় ভাই সাইফুল আলম সিদ্দেকী সেফুল এখন দেশে ফিরে আওয়ামী লীগকে পুনরায় কুলাউড়ায় সুসংগঠিত করার গভীর পরিকল্পনা ও অপচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রবাসে বসে ফ্যাসিবাদের মদদদাতা এবং উলামা লীগের নামে ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এই সেফুল সিদ্দেকী দেশে এসে এলাকাকে আবারও অস্থির করার পায়তারা করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের এই রাজনৈতিক পুনর্বাসনের অপচেষ্টায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও শোষিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে।##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews