সেচ সংকটে কৃষকরা : ভর মৌসুমেও কমলগঞ্জে বোরো আবাদ ৪০ শতাংশ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপথ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা- জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ জুড়ী থানায় ব্যবসায়ি কোম্পানীর ‘পুলিশ চেকপোষ্ট’ সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদান ওসমানীনগরে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দআটক ১ দোয়ারাবাজারে এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দু’শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা কমলগঞ্জে অভ্যন্তরীণ ৪৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ প্রণোদনা নয় বোরোধান রক্ষায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহনের দাবি হাকালুকি পাড়ের কৃষকদের খাদ্যে ভেজাল রোধে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে —-এমপি লুনা কমলগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে চুরির অপবাদে অমানষিক নির্যাতন; ভিডিও ভাইরাল কুড়িগ্রামে ওয়াল্ড ভিশনের আয়োজনে ৫৪টি পরিবার পেল স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিন

সেচ সংকটে কৃষকরা : ভর মৌসুমেও কমলগঞ্জে বোরো আবাদ ৪০ শতাংশ

  • শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

Manual1 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :: চলতি বোরো আবাদের ভর মৌসুমেও এক সময়ের বৃহত্তর সিলেটের শস্যভান্ডার খ্যাত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বোরো আবাদ হয়েছে মাত্র ৪০ শতাংশ। প্রচন্ড সেচ সংকটে কৃষি অধ্যূষিত এলাকার কৃষকরা বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কিত। নিম্নাঞ্চলের যেসব স্থানে প্রতি বছর বোরো আবাদ হয়েছে সেসব স্থানেও সেচ সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বোরো আবাদি জমি নিয়েও কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলায় এবছর ৫১২২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এপর্যন্ত ৪০ শতাংশ জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তবে সেচ সঙ্কটের কারনে বোরো আবাদ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় উপজেলার ধলাই, লাঘাটা নদীসহ পাহাড়ি ছড়াসমুহেও পর্যাপ্ত পানি নেই। বিভিন্ন স্থানে ক্রস বাঁধ কিংবা স্লুইসগেট দিয়ে কিছু কিছু স্থানে পানি আটকিয়ে চাষাবাদ হচ্ছে। এরফলে অন্যান্য স্থানে কাঙ্খিত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

Manual7 Ad Code

পতনউষারের কৃষক আকতার মিয়া, পরিমল দেবনাথ, সওকত মিয়া, সুহেল আহমদ বলেন, যুগ যুগ ধরে আমাদের পূর্বসূরীরা বোরো চাষাবাদ করে আসছেন। নিম্নাঞ্চলের জমি থাকায় আমরাও বোরো চাষাবাদ করি। তবে এবছর সেচের অভাবে বেশকিছু জমি এখনো পরিত্যক্ত রয়েছে। পানি না পাওয়ায় চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা আরো বলেন, আমাদের জমি মূলত বোরো আবাদী। অথচ উজানের বিভিন্ন স্থানে নদী থেকে পানি আটকিয়ে নিয়ে যাওয়ায় আমরা সেচের অভাব বোধ করছি। তবে বোরো আবাদ না হলে দুর্ভোগে পড়তে হবে বলে তারা মন্তব্য করেন।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, আসলে শুষ্ক মৌসুম থাকায় কৃষকরা কিছুটা সেচ সংকটে রয়েছেন। তাছাড়া লক্ষ্যমাত্রার ৪০ শতাংশ চাষাবাদ হয়েছে। সময় এখনো যথেষ্ট রয়েছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে।#।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!