আত্রাইয়ে পাট চাষে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

আত্রাইয়ে পাট চাষে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

  • সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

Manual1 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি ::

Manual4 Ad Code

উত্তর জনপদের শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাইয়ে এক সময় ধান ও পাট ছিল সমানতালে চাষযোগ্য ফসল। ‘সোনালি আঁশথ খ্যাত পাট বিদেশে রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পাট চাষ আজ হুমকির মুখে। নানা প্রতিবন্ধকতায় কৃষকের আগ্রহ ক্রমেই কমছে এ ফসলের প্রতি। তুলনামূলকভাবে এ বছর পাট চাষে আগ্রহ কমেছে অনেক কৃষকের।

শ্রমিক সংকট, জাগ দেওয়ার পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকা, দরপতনসহ নানা কারণে আগ্রহ কমেছে এই ফসল চাষে। ফলে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পাট চাষ। তবে কৃষি অফিস বলছে, পাটের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এ দিকে কৃষকেরা জানান, পাট চাষে ভোগান্তি বেশি, লাভ কম। উৎপাদিত পাট সংরক্ষণের উপযুক্ত জায়গা নেই, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা খরায় ফলনও কমে যায়। আবার সরাসরি কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেই।

উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক আজাদ প্রামানিক বলেন, ‘গত বছর মাত্র ২ একর জমিতে পাট লাগিয়েছি। শ্রমিকের মজুরি ৬০০ টাকা। খরচের তুলনায় বিক্রি কম, লাভ তো দূরের কথা, লোকসান গুণতে হয়।

Manual8 Ad Code

এ ব্যাপারে উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, পাট চাষ করে কোনো লাভ নেই। পরিশ্রমই বৃথা। তাঁর এক বিঘা জমিতে পাট হয়েছে পাঁচ মণ। খরচ হয়েছে ৮ হাজার টাকার মতো। বিক্রি করে পেয়েছেন ১৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে তারা পরিবারের তিনজন যে শ্রম দিয়েছেন তার হিসাব নেই। পাট চাষের জন্য যেভাবে তারা পরিশ্রম করেন তার দাম ওঠে না।

উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেলেও পাটের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উপজেলার বিশা ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি আগে প্রতি বছর দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করতেন। কিন্তু এখন মাত্র ১০ কাঠা করছেন। তিনি বলেন, ‘গত বছর প্রতি মণ পাট বিক্রি করেছি ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। কিন্তু সার, শ্রমিক, সেচ, পাট কাটার খরচের পর হাতে তেমন কিছু থাকেনি। এই কারণে এখন অনেক কৃষক লাভজনক অন্য ফসল চাষে ঝুঁকছেন।

স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, শুধু প্রণোদনা নয়, দর নিয়ন্ত্রণ, বাজার ব্যবস্থাপনা, জলাশয় পুনঃখনন ও আধুনিক জাগ পদ্ধতি চালুর মতো বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ জরুরি।

Manual3 Ad Code

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, এ বছর উপজেলায় ১৩৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পাট চাষে আগ্রহ বাড়াতে ৩০ জন কৃষককে প্রণোদনার আওতায় বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হয়েছে। #

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!