আজ বড়লেখা মুক্ত দিবস : মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আলোচনা সভা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

আজ বড়লেখা মুক্ত দিবস : মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আলোচনা সভা

  • শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual2 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি

Manual4 Ad Code

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশপ্রেমে উদ্বেলিত বড়লেখাবাসী জেগে উঠে রণহুঙ্কারে। ৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা অঞ্চল পাকহানাদার মুক্ত হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল বড়লেখা মুক্ত দিবস পালন করেছে। এ উপলক্ষ্যে শনিবার বিকেলে বড়লেখা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Manual7 Ad Code

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আহমদের সঞ্চালনায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা ফনি ভূষণ শীল, মুক্তিযোদ্ধা তপন আলী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ সিটু, আব্দুল ফাত্তাহ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নাদের আহমদ প্রমুখ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বড়লেখা সম্পূর্ণভাবে শত্রু মুক্ত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পাকবাহিনী বিয়ানীবাজারের দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া মুক্তিযোদ্ধা ও মরহুম মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

Manual8 Ad Code

জানা গেছে, তৎকালিন সিলেট জেলার উত্তর প্রান্তিক জনপদ বড়লেখা। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রায় ৩২৫টি গ্রাম পরিণত হয় প্রতিরোধের দূর্গে। বড়লেখার প্রতিটি জনপদের মুক্তিকামী মানুষ ফুঁসে উঠেন আগ্নেয় গিরির অবিনাশী ক্ষমতায়। গোটা নয় মাস স্বাধীনতার দূর্নিবার স্বপ্নে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়েন মুক্তিকামী সংগ্রামী জনতা। সাহসিকতা এবং দেশপ্রেমের অনির্বাণ চেতনায় উদ্দীপ্ত জনতা রচনা করেছেন অসংখ্য বীরত্বের কীর্তি গাথা অবিশ্বাস্য উপাখ্যান। এ থানার শত শত মুক্তিযোদ্ধা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে অংশ নিয়ে নিজেদের মহিমান্বিত করেছেন পরম নিষ্ঠায়। এর মধ্যে কয়েকজন দামাল সন্তান রণাঙ্গনে শহীদ হন।

বড়লেখা থানাটি ৪ নং সেক্টরের আয়তাভুক্ত ছিল। মেজর সিআর দত্ত সেক্টর কামান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন। এ সেক্টরের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতের করিমগঞ্জে প্রয়াত এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর নেতৃত্বে। বড়লেখা থানার পার্শ্ববতী বারপুঞ্জি ও কুকিরতলে সাব সেক্টর স্থাপিত হয়। হানাদারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য ছোট বড় আক্রমন চালিয়েছে এ সাব সেক্টরের মুক্তিসেনারা। যুদ্ধের সুচনাতেই বড়লেখার স্থানে স্থানে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সংগ্রামী বড়লেখাবাসী। অবিশ্বাস্য দ্রুততায় ও দৃঢ়তায় তাঁরা নেমে পড়েন শত্রুর মোকাবেলায়। সাহসিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশন চালান বড়লেখার লাতু, সারপার, শাহবাজপুর, ধামাই চা বাগান, হাকালুকি পারের কয়েকটি গ্রাম, বোবারথল, মাইজগ্রাম, ডিমাই, কেছরিগুল, কাঠালতলী, মাধবকুণ্ড, দশঘরি গ্রামে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!