মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ::
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগে জেলা রেজিস্ট্রারের পরিদর্শনের পর লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন কর্মধা ইউনিয়নের রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পুরোনো কাগজপত্রে থাকা ভুলত্রুটি ‘মার্জনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
গত ৭ এপ্রিল জেলা রেজিস্ট্রার তার কার্যালয় পরিদর্শন করে বিভিন্ন বিষয়ে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ব্যাখ্যা চান। এর প্রেক্ষিতে দেওয়া লিখিত জবাবে জুনাইদ আহমদ উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জেলা রেজিস্ট্রারের অডিটে এসব নথি সঠিক বলে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তিনি আরও জানান, অফিসে একাধিক বিবাহ নিবন্ধন বই রাখা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং সামাজিক প্রয়োজনেই একাধিক বই একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি দেশের অন্যান্য কাজীরাও করে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর আগের একটি নিবন্ধন বইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, সে সময় কাবিন রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে কনের উপস্থিতি সবসময় নিশ্চিত করা হতো না; উকিল ও সাক্ষীর মাধ্যমেই বিবাহ সম্পন্ন হতো। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী কনের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কনের বয়স সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারিত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রাপ্ত কাগজপত্র অনুযায়ী কনের জন্মতারিখ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৮ এবং ১৫ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে বিয়ে নিবন্ধনের সময় তার বয়স ছিলো ১৯ বছর ৯ মাস ২৬ দিন। ফলে এটি বাল্যবিবাহ ছিলো না।
তিনি আরও বলেন, একই সাথে ২৩ বছরের পুরোনো কাগজপত্র পর্যালোচনায় কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া যেতে পারে, যা মার্জনীয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ আহমদ বলেন, অভিযোগকারী দীর্ঘদিন থেকে তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে। তার পেছনে অন্য এক কাজীর ইন্দন রয়েছে।#