কুলাউড়ায় খাসিয়া বনবিভাগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্প্রীতি সমাবেশ- – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুবাইয়ে ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু- পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক বড়লেখায় কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী : বহুভাষার আলোকবর্তিকা নিভে গেল নারী দিবসে কমলগঞ্জে ফিল্মি স্টাইলে নারীকে অপহরণের চেষ্টা কমলগঞ্জে পৈতৃক বাড়িতে দাদা-দাদির কবর জিয়ারত করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বড়লেখায় ১১ সদস্যের ফুটবল রেফারী এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন বড়লেখায় নানা আয়োজনে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস পালন কমলগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত: নারী ও কন্যার অধিকার সুরক্ষার আহ্বান কুলাউড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে  র‍্যালী ও আলোচনা সভা বড়লেখায় ইউপি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জকে আকস্মিক বদলি, প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় নিসচা’র ভুমিকা প্রশংসনীয় -বড়লেখা ইউএনও

কুলাউড়ায় খাসিয়া বনবিভাগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্প্রীতি সমাবেশ-

  • মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual4 Ad Code

ভূমির মালিকানা কাউকে দেয়া হয়নি

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual6 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলায় সামাজিক বনায়নকে ঘিরে খাসিয়া ও বনবিভাগের উপকারভোগীদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ০৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার কর্মধা ইউনিয়নের মুনিপুরী একাডেমিতে এক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম কাওছার দস্তগীর। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষণ রায়, কর্মধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ রহমান আতিক, পৃথিমপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নবাব আলী বাখর খান, বনবিভাগের পক্ষে রেঞ্জ অফিসার রিয়াজ উদ্দিন, খাসিয়াদের পক্ষে ফ্লোরা বাবলী তালাং ও উপকারভোগীদের পক্ষে হারিছ আলী।

Manual7 Ad Code

বনবিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, কুলাউড়া উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আগে বাঁশ ছিলো। সেই বাঁশের পরিবর্তে এখন আছে পান। এখন আর বাঁশ নেই। মহালও নেই। ৪টি বাঁশ মহাল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সামাজিক বনায়নেও আসছে বাঁধা। তবে সরকার ‘সিলেট বনবিভাগে পুণ:বনায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার কার্যক্রম শুরু হবে।

Manual3 Ad Code

অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, বনে বাস করতে পারেন। কিন্তু ভূমির মালিকানা কাউকে দেয়া হয়নি। বনের সাথে যাদের আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, তারা কখনও বন ধ্বংস করতে পারে না। আর্থিক সম্পর্ক যখন জোরদার হয় তখন বিরোধ সৃষ্টি হয়। আগে এখানে বাঁশ মহাল ছিলো, সরকার রাজস্ব পেতো। এখন পানপুঞ্জিতে শুনেছি ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলে। কিন্তু সরকার কি পায়? বনের মালিক রাষ্ট্র এবং বনবিভাগ। বনভূমিতে থাকা মানে, কাউকে ভূমির মালিকানা দেয়া হয়নি। এখানে কেউ ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে সফল হবে না। যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে চলবেন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে থাকবে। তবে অবশ্য ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!