বড়লেখায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে আদালত ও সাবরেজিষ্ট্রার অফিসের কাজ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল- বড়লেখায় বন্যার আশংকায় প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র বড়লেখা এনসিসি ব্যাংকে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ কুলাউড়ায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কমলগঞ্জ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নিমজ্জিত হচ্ছে বোরোধান: কৃষকরা হতাশ মে দিবসে মজুরিসহ ছুটি প্রদানের আহবান হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কমলগঞ্জে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি বড়লেখায় জাতীয় আইনগত দিবসে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা কুলাউড়ায় পাহাড়ী ঢলে নদী ভাঙনে ১৫ গ্রাম প্লাবিত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আত্রাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছের চাপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু কমলগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুত ব্যবস্থা লন্ডভন্ড : ১৭ টি খুঁটি  অর্ধশতাধিত বাড়িঘর আংশিক বিধ্বস্ত 

বড়লেখায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে আদালত ও সাবরেজিষ্ট্রার অফিসের কাজ

  • বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual8 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

Manual8 Ad Code

বড়লেখা জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালত (চৌকি আদালত) ও সাবরেজিষ্ট্রার ভবন ব্যবহার অনুপযোগি। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ডেমেজ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান দু’টির কার্যক্রম। এতে ভবন ধসে যেকোন সময় বড়ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা দলিল লেখক সমিতি সাবরেজিষ্ট্রার অফিস উপজেলা প্রশাসনের অভ্যন্তরে স্থানান্তরের দাবীতে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।

Manual8 Ad Code

জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে তৎকালীন সরকার ফৌজদারী আদালত পরিচালনার জন্য বড়লেখায় আদালত ভবন নির্মাণ করে। ১৯৯২ সালে সরকারি আদেশে উপজেলা আদালত প্রত্যাহার করায় সেখানে উপজেলা সাবরেজিষ্ট্রার অফিস স্থানান্তর করা হয়। ২০০৪ সালের শেষের দিকে দেশের সীমান্তবর্তী ৯টি উপজেলায় চৌকি আদালত চালুর সরকারি সিদ্ধান্তে প্রায় ১ যুগ অরক্ষিত ও জরাজীর্ণ ভবনে বড়লেখা উপজেলা আদালতের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। ইতিপূর্বে জরাজীর্ণ আদালত ও সাবরেজিষ্ট্রার ভবনের ছাদের ও দেয়ালের পলেস্তোরা ভেঙ্গে অনেকের ওপর পড়েছে। এমনকি এজলাসে বিচারকার্য চলাকালিন ছাদের পলেস্তোরা-খোয়া ভেঙ্গে ও বৈদ্যুতিক পাখা ছিটকে আইনজীবিদের মাথায় পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকেই আদালতের স্টাফ, আইনজীবি ও বিচারপ্রার্থীরা থাকেন আতংকে। গত ২৮ মে আদালত ভবনের হাজতখানার উত্তর দিকের প্রায় ৫০ ফুট দীর্ঘ সীমানা প্রাচীর ধসে পড়ে। অরক্ষিত হয়ে পড়ে কোর্ট হাজতখানা। পুলিশ ও আসামীর নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। এদিকে ভবনের ছাদ চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে নষ্ট হয় আদালত ও সাবরেজিষ্ট্রার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। অন্যদিকে ডেমেজ ভবনের দেওয়াল ও নিরাপত্তা প্রাচীর যেকোন সময় ধসে পড়ার উপক্রম।

Manual3 Ad Code

সরেজমিনে আদালত ও সাবরেজিষ্ট্রার ভবনের দেয়াল, ছাদ, পিলার ও ভিমের বিভিন্ন স্থানে ফাটল থাকতে দেখা গেছে। জরাজীর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রয়েছে আদালতের এজলাস, খাস কামরা, এপিপি কক্ষ, জিআরও কক্ষ, পুরুষ ও মহিলা হাজতখানা। অরক্ষিত নষ্ট হওয়ার পথে বিভিন্ন বিচারাধীন মামলার জব্দকৃত আলামত। দেওয়াল ও ছাদের বিভিন্ন স্থানের পলেস্তোরা খসে পড়েছে। ছাদ চুঁয়ে পড়ে বৃষ্টির পানি। ভবন সংকটে মহিলা হাজতখানায় বাস করেন আদালতের স্টাফ ও পুলিশ সদস্যরা। দেওয়াল ও ছাদ ধসে যেকোন সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।

আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট গোপাল চন্দ্র দত্ত জানান, ডেমেজ ভবনে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে বিচারিক কার্যক্রম। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য গত ৬ বছরে কয়েক দফা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু আজও ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাননি। জনস্বার্থে দ্রুত নতুন আদালত ভবন নির্মাণ করা জরুরী।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!