বড়লেখায় চাচার মৃত্যু শোকে ভাতিজিও না ফেরার দেশে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লন্ডনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ডরেইজিং: ৫০ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙ্গার ট্রলি উল্টে চালক নিহত ১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বড়লেখায় চাচার মৃত্যু শোকে ভাতিজিও না ফেরার দেশে

  • রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২

Manual3 Ad Code

এলাকায় শোকের ছায়া

Manual2 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

Manual5 Ad Code

বড়লেখায় চাচার মৃত্যুর শোকে কয়েক মিনিটের মধ্যে কাঁদতে কাঁদতে না ফেরার দেশে ফাঁড়ি জমালেন ভাতিজি সুজন আক্তার (৩০)। হৃদয়¯পর্শী ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির কাঠালতলী গ্রামে। চাচা-ভাতিজির মৃত্যুতে পরিবারের পাশাপাশি এলাকাবাসীর মধ্যেও শোকের ছায়া নেমেছে। রোববার বাদ যোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে চাচা-ভাতিজির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার কাঠালতলী গ্রামের বাসিন্দা হানিফ উদ্দিন (৭০) দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা যান। এদিকে চাচার মৃত্যুর শোক সইতে পারেননি ভাতিজি সুজন আক্তার (৩০)। চাচার মৃত্যুতে কাঁদতে কাঁদতেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। রাত সাড়ে আটটার দিকে বড়লেখা পৌরশহরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ভাতিজিকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে চাচা-ভাতিজির মৃত্যুর খবরে গোটা এলাকায় শোকের নেমে আসে।

Manual6 Ad Code

মৃত হানিফ উদ্দিনের ছেলে হোসাইন আহমদ জানান, ‘আমার বাবা চাচাতো বোন সুজন আক্তারকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তারও বাবা নেই। অনেক আগে মারা গেছেন। সেজন্য তিনি বাবার মৃত্যুর শোক সইতে পারেননি। কাঁদতে কাঁদতেই মারা গেছেন।

Manual5 Ad Code

দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন চাচা-ভাতিজির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে রোববার বিকেলে বলেন, হানিফ উদ্দিন অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর কয়েক দিনিটের মধ্যে ভাতিজিও কাঁদতে কাঁদতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ঘটনাটি হৃদয়স্পর্শী। গোটা এলাকার মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!