বড়লেখায় কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে ডিলার উধাও! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জুড়ীর মনিরুজ্জামান সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে লড়বেন দুই কিংবদন্তির সন্তান, বাপ্পারাজ ও মুক্তি নেপথ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা- জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ জুড়ী থানায় ব্যবসায়ি কোম্পানীর ‘পুলিশ চেকপোষ্ট’ সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদান ওসমানীনগরে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দআটক ১ দোয়ারাবাজারে এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দু’শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা কমলগঞ্জে অভ্যন্তরীণ ৪৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ প্রণোদনা নয় বোরোধান রক্ষায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহনের দাবি হাকালুকি পাড়ের কৃষকদের

বড়লেখায় কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে ডিলার উধাও!

  • শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩

Manual3 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

Manual8 Ad Code

বড়লেখায় বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিনিয়োগকৃত কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে সুমন পাল শিপলু নামে এক ডিলার (বিভিন্ন কোম্পানীর স্থানীয় এজেন্ট) উধাও হয়ে গেছে। প্রায় এক মাস ধরে মেসার্স পাল ট্রেডার্স নামক ডিলারশীপের দোকান ও মোবাইল ফোন বন্ধ করে সে উধাও হওয়ায় ভুক্তভোগী পাওনাদাররা উপজেলা চত্তর সংলগ্ন দোকানের সামনে ভিড় করছেন। কেউ কেউ থানায় গিয়েও অভিযোগ দিয়েছেন। সুমন পাল শিপলু উপজেলার ছিকামহল গ্রামের প্রয়াত স্কুল শিক্ষক শিশির পালের ছেলে।

Manual4 Ad Code

জানা গেছে, সুমন পাল শিপলু বেশ কয়েক বছর ধরে উপজেলা চত্তরের পশ্চিম পাশের একটি বিল্ডিংয়ের কয়েকটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানীর পণ্যের ডিলারশীপের ব্যবসা করে আসছিল। বিশ্বাস অর্জন করায় কোম্পানীগুলো তাকে লাখ লাখ টাকার পণ্য বাকিতে দিয়ে ব্যবসা করছিল। স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীও তার কাছে নগদ টাকা বিনিয়োগ করতেন। বিভিন্ন কোম্পানীর মার্চ মাসের বকেয়া বিল এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে পরিশোধের কথা বলে সে ৩১ মার্চ দোকান বন্ধ করে আত্মগোপন করে।

রাধা চুড়া চা পাতা ও মসলা কোম্পানীর মালিক শিতল বাবু জানান, প্রায় দুই বছর ধরে সুমন পাল তার সাথে ব্যবসা করছেন। চুক্তি অনুযায়ী ভালই লেনদেন করতেন। প্রতি মাসের মালামালের বিল ৩০ তারিখে পরিশোধের চুক্তিতে চাহিদা মতো মালামাল নিতেন। ৩০ মার্চ ফোন দিয়ে বিশেষ সমস্যার কথা জানিয়ে ৩ এপ্রিল বকেয়া বিল পরিশোধের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তখন তার কাছে আমার কোম্পানীর পাওনা প্রায় ১২ লাখ টাকা। আমি সরল বিশ্বাসে তার অনুরোধ মেনে নেই। কিন্তু পরদিন থেকেই সুমন পালের মোবাইল ফোন এবং ডিলারশীপের দোকানও বন্ধ পাই। এরপর থেকে তার সন্ধান না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করি। ভুক্তভোগী তারেক আহমদসহ পার্শবর্তী ব্যবসায়ীরা জানান, মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কোম্পানী থেকে মাল তোলার নামে সে অনেক ব্যবসায়ীর কাছ নগদ টাকা ধার নিত। সময় মতো পরিশোধ করে বিশ্বাস অর্জন করে। মার্চ মাসে অনেকের কাছ থেকে ধার নিলেও এপ্রিল মাস আসার আগেই সে উধাও হয়ে যায়। বিভিন্ন কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে সে গা ঢাকা দিয়েছে।

বড়লেখা থানার এসআই জায়েদ আহমদ জানান, গাজী কোম্পানীর একজন দায়িত্বশীলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুমন পালের গোডাউন থেকে সম্প্রতি ওই কোম্পানী কিছু পণ্য উদ্ধার করে দিয়েছেন। আরো অনেকে তার কাছে লাখ লাখ টাকা পাবে বলে অভিযোগ করছে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!