বড়লেখায় বিদ্যুতের মেইন লাইন ঘেষে বিল্ডিং নির্মাণ, প্রাণ গেল নির্মাণ শ্রমিকের – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখার ডিমাই সীমান্ত- বিজিবির গুলিবর্ষণে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত জাকির হোসেন উজ্জ্বল কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত হওয়ায় বড়লেখায় আনন্দ মিছিল শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শনে এমপি মুজিব কুলাউড়ায় কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস : কৃষকদের সম্মান করলে দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে-এমপি শওকতুল ইসলাম বড়লেখায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৫ বছরে ধ্বংস করে দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থার প্রকৃত উন্নয়নে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে —এমপি নাসির উদ্দিন আহমেদ কুলাউড়ার দত্তগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে যুবক গুলিবিদ্ধ কমলগঞ্জে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কমলগঞ্জে স্কুলছাত্রী মীমের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন  প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সিলেটের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে কমলগঞ্জে বেলা’র ক্যাম্পেইন

বড়লেখায় বিদ্যুতের মেইন লাইন ঘেষে বিল্ডিং নির্মাণ, প্রাণ গেল নির্মাণ শ্রমিকের

  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

Manual6 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual5 Ad Code

বড়লেখায় হাইভোল্ট বিদ্যুতের মেইন লাইন ঘেষে প্রবাসীর ভবন নির্মাণের খেসারত দিতে হলো নিরীহ নির্মাণ শ্রমিক লিলন মিয়ার (২৩)। মেইন লাইনের পাশে ভবনের সংস্কার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে ভবনের নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পর্যটন কেন্দ্র মাধবকুণ্ড সংলগ্ন খলাগাও গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে প্রবাসী রাসেদ মিয়ার বাড়িতে। নিহত লিলন মিয়া দোহালিয়া গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাত সাড়ে আটটায় লিলন মিয়ার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, প্রবাসী রাসেদ মিয়া পল্লীবিদ্যুতের মেইন লাইন ঘেষে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। প্রবাসীর স্ত্রী বসত বাড়ির দোতলায় রাজমিস্ত্রী নিয়ে কাজ করাচ্ছিলেন। নির্মাণ শ্রমিক লিলন মিয়া ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের পাশে কাজ করতে অপারগতা জানালেও অনেকটা চাপ প্রয়োগ করে প্রবাসীর স্ত্রী তাকে সেখানে কাজে লাগান। বিকেলের দিকে অসাবধানতাবশত নির্মাণ শ্রমিক লিলন মিয়া খোলা বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে দোতলার উপর থেকে নিচে পড়ে যান। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বড়লেখার বিভিন্ন এলাকায় পল্লীবিদ্যুতের মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ উচ্চ ভোল্টের লাইন রয়েছে। অনেকের বসতঘরের উপর, ঘরের দেওয়াল এমনটি হাতে ছোঁয়া দুরত্বে বিদ্যুতের লোজ তারের মেইন লাইন টানানো রয়েছে। গত ২৫ মার্চ জুড়ীতে টিনের চালে বিদ্যুৎ লাইন ছিড়ে পড়ে বিদ্যুতায়িত ও অগ্নিদগ্ধ হয়ে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু হলেও পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি মরণফাঁদ এসব বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তরের কার্যকর কোনো উদ্যোগই নেয়নি।

Manual7 Ad Code

বড়লেখা পল্লীবিদ্যুতের এজিএম (কম) মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, ওই প্রবাসীর বাড়ি তৈরীর আগে থেকেই এইস্থান দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানানো ছিল। পল্লীবিদ্যুত সমিতিকে অবহিত না করেই তিনি ভবন নির্মাণ করেন। লাইন স্থানান্তরের আবেদন-নিবেদন এমনকি কোনো ধরণের ব্যবস্থা না নিয়েই তিনি লাইন ঘেষে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে স্থাপনা নির্মাণ করতে থাকেন। প্রায় ঘরের মধ্যেই বিদ্যুতের লাইন ঢুকিয়ে ফেলেন। এখানে কাজ না করতে নিষেধ দিলেও তা মানেননি। বড়লেখায় বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ লাইন সনাক্ত করে নিরাপদ করার কাজ চলমান আছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!