কমলগঞ্জে ভারতীয় অবৈধ চিনির অবাধ বেচাকেনা; সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজস্ব তহবিলের অর্থ আত্মসাত- বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা বড়লেখায় নবপল্লব প্রকল্পের ‘প্রকল্প অবহিতকরণ’ সভা একদল অপকর্ম করে পালিয়েছে, আরেকদল সেই অপকর্মের দায় কাঁধে তুলে নিয়েছে : শফিকুর রহমান আধ্যাত্মিক, মানবিক দর্শন ও লোক ক‌বি সাধক হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকী আজ আজ বড়লেখা মুক্ত দিবস : মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আলোচনা সভা প্রয়াত ডা. পবন চন্দ্র দেবনাথের ছোট ভাই ব্রজেন্দ্র দেবনাথ আর নেই কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে রেলওয়ে সচিব- সম্পন্নের ডেডলাইনেও বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় বড়লেখায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নফল রোজা শেষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কুলাউড়ায় আদালতের নির্দেশনা ভঙ্গ করে কৃষকদের জমিতে ফসল রোপণের অভিযোগ ছাতকের ইউএনও’কে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

কমলগঞ্জে ভারতীয় অবৈধ চিনির অবাধ বেচাকেনা; সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব

  • শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪

Manual2 Ad Code
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :::  মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে অবাদে মিলছে চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি। প্রকাশ্য দিবালোকে ট্রাকযোগে এসে চিনির গোডাউনে মজুদ করা হলেও এবিষয়ে দেখার কেউ নেই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী মহল ও চোরাকারবারীদের যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে রমরমা ব্যবসা চলছে। এতে চোরাকারবারীরা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে। আর ঠকছেন ভোক্তারা। বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ট্রাক বোঝাই চিনি আসছে। এতে কারণে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ভারতীয় চিনির রমরমা ব্যবসা চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিন আট থেকে দশটি ট্রাকে আসে ভারতীয় চিনি। কমলগঞ্জের শমশেরনগরের রাধানগর, পতনঊষার বাজার ও মুন্সীবাজারের নির্ধারিত গোদাম সমুহে মজুদ রাখা হয়। পরে গোদাম থেকে বাজারের দোকানপাট সমুহে পাইকারী দামে বিক্রি করা হয়। অবৈধ ভারতীয় চিনি ব্যবসায়ের সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী মহল ও চোরাই কারবারীরা জড়িত রয়েছে।
তবে অবৈধ চিনি ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে বস্তা ভর্তি চিনি গোদামে মজুদ করলেও তারা চাল, ডাল বলে তাড়িয়ে দেন। কাউকে কথা বলতে দেয় না। তাদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন।  সীমান্ত অতিক্রম করেই তারা ভারতীয় বস্তা পরিবর্তন করে দেশীয় বস্তা দিয়ে চিনি পরিবহন করে। কখনো কোন অভিযান করা হলে পুরাতন অকশনের কাগজ দেখিয়ে ও সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করেই প্রকাশ্যে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে ভারতে প্রতি কেজি চিনির দাম ৫০রুপি। ৫০ কেজি বস্তার দাম ২ হাজার পাঁচশ’ রুপি। দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকায়। তবে ভোক্তারা ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা দরে এই চিনি কিনছেন।
Manual4 Ad Code

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চিনি কিনে বিক্রি করছি। শমশেরনগর ভেতর বাজারের এক ব্যবসায়ীর দোকান থেকে তুলনামূলক কম দামে ভারতীয় চিনি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি যদি একবার অকশনের মাল ক্রয় করেন পরে পুরো মাস অবৈধভাবে আসা চিনি সরবরাহ করেন।

Manual2 Ad Code

এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার এর সহকারী পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, আসলে এই বিষয়টি পুলিশ দেখলে ভালো হয়। সেখানে মামলার বিষয়ও সম্পৃক্ত।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে কমলগঞ্জ থানার অফিষার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খতিয়ে দেখা হবে। শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শামীম আকনজি বলেন, অবৈধ ভারতীয় চিনির ব্যবসা অনেকটাই কমে গেছে। তারপরও গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।
Manual1 Ad Code

One attachment • Scanned by Gmail

সংবাদটি শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!