মৌলভীবাজারে নদীর অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ৬৪ কোটি টাকাই জলে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান- বড়লেখায় ভারতীয় চোরাই গরু ও দেশিয় মদসহ গ্রেফতার ৪ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে ফলদ ভেষজ ও বনজ বৃক্ষচারা বিতরণ ছাতকের আ’লীগ নেতা হাজী স্বপন ঢাকার রমনা থেকে গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল দুর্ঘটনার আশংকা

মৌলভীবাজারে নদীর অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ৬৪ কোটি টাকাই জলে

  • রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

Manual3 Ad Code

এইবেলা, মৌলভীবাজার ::

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজারের চারটি নদীতে ভাঙন রোধে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ড গত ৫ বছরে ৬৪ কোটি টাকা জলে ঢেলেছে। এই ৬৪ কোটি টাকা বন্যা প্রতিরোধে জেলাবাসীর কোনো কাজেই আসেনি। বরং বিভিন্ন জায়গায় জরুরি বরাদ্দের নামে লুটপাট করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা। এমন অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ নামধারী ঠিকাদার ও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এদিকে জেলাবাসীকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করতে জেলার প্রধান মনু নদীতে ২০২১ সালে ৯৯৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প নেওয়া হয়। প্রায় ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এ প্রকল্পও আলোর মুখ দেখেনি আজও। ২০২৩ সালের জুনে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৪৭ শতাংশ। কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলে।

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, জেলার চারটি নদীতে বিগত ৫ বছরে বিভিন্ন জায়গায় ইমার্জেন্সি বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে মনু নদীতে ১১ কোটি ৮৮ লাখ ৩২ হাজার, ধলাই নদীতে ৬ কোটি ৭ লাখ ৭৮ হাজার ও জুড়ি নদীতে ৫৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

Manual3 Ad Code

এদিকে ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরীন ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) আওতায় মনু নদীতে ১৫ কোটি ১৬ লাখ ৬৬ হাজার, ধলাই নদীতে ৩ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার, ফানাই নদীতে ১১ কোটি ৯৫ লাখ ৩৪ হাজার ও জুড়ী নদীতে ৩ কোটি ৭৬ হাজার টাকা এবং ওই নদীর হাওড় এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন প্রকল্পে ১২ কোটি ৩০ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সমস্ত নদীতে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নামকাওয়াস্তে কাজ করে বিল তুলে নেয়। এতে লাভবান হয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সরকারের বরাদ্দকৃত এই অর্থ মৌলভীবাজার জেলাবাসীর কোনো কাজে আসেনি।

Manual1 Ad Code

এদিকে মনু নদীতে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলমান থাকার পরেও একাধিক জায়গায় ইমার্জেন্সি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জেলার সচেতন মহল বলছে, ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী মেগা প্রকল্প সমাপ্ত হলে বন্যা থেকে রক্ষা পেত জেলার কয়েক লাখ মানুষ। জেলার নদীগুলোতে সঠিকভাবে কাজ না হওয়া প্রতিবছরই পড়তে হয় বন্যার কবলে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন জেলাবাসী। একবারের বন্যায় ঘুরে দাঁড়ানোর পূর্বেই ফের দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ও বরাদ্দের বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই। প্রতিবছর বন্যা হয় তাই স্থায়ীভাবে কাজ করারও সুযোগ হয় না। তবে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি পরিকল্পিতভাবে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ তৈরির জন্য।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!